সলিমুল্লাহ মেডিকেল
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ © টিডিসি ছবি
পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে (এসএসএমসি) ছাত্রদের তীব্র আবাসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আবাসন সুবিধা না পাওয়ায় ক্লাস শুরুর ৫ দিনের মাথায় ক্যাম্পাস ছেড়ে বাড়ি চলে গেছেন ছাত্র-ছাত্রী নির্বিশেষে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সব শিক্ষার্থী। নিজেদের ‘অসহায়ত্ব’ বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের এই সিদ্ধান্তের কাছে হারও মানতে হয়েছে কলেজ প্রশাসনকে।
এসএসএমসি সূত্রে জানা গেছে, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে প্রতিবছর ২২৫ থেকে ২৫০ শিক্ষার্থী ভর্তি হন। তাদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে বর্তমানে ৫টি হোস্টেল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি ছাত্র ও ছাত্রী ইন্টার্ন হোস্টেল। আর একটি ছাত্রী হোস্টেল ছাড়া ছাত্রদের জন্য রয়েছে দুটি হোস্টেল। এর মধ্যে প্রধান হোস্টেল ৫ তলাবিশিষ্ট, আলাউদ্দিন হোস্টেল ৬ তলা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রতিবছর প্রায় শতাধিক ছাত্র কলেজটিতে ভর্তি হলে তাদের প্রথমে আলাউদ্দিন হোস্টেলে আবাসনের সুবিধা দেওয়া হয়। এরপর তৃতীয় বর্ষে তারা যান প্রধান হোস্টেলে। ইন্টার্নশিপ চলাকালে তাদের ইন্টার্ন হোস্টেলে পাঠানো হয়। তবে বর্তমানে আলাউদ্দিন হোস্টেলে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্ররা অবস্থান করছেন। আর ২০২০-২১, ২০২১-২২ ও ২০২৪-২৫ সেশনের ছাত্ররা রয়েছেন প্রধান হোস্টেলে। এর মধ্যে ২০২১-২২ হোস্টেলের বর্ধিত ভবনে রয়েছেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এখন ইন্টার্ন চলছে, তারা ইন্টার্ন হোস্টেলে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন: নবীন ছাত্রদের সিট দিচ্ছেন ছাত্রদল নেতারা, দপ্তর সম্পাদক বললেন— ‘আমি তোমাদের এক্টিং প্রভোস্ট’
এদিকে সরকারের ‘১০টি মেডিকেল কলেজে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ১৯টি হোস্টেল ভবন নির্মাণ প্রকল্প’-এর অংশ হিসেবে ১৪৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সলিমুল্লাহ মেডিকেলে তিনটি হোস্টেল নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন। এর মধ্যে ১৫ তলাবিশিষ্ট একটি ছাত্র হোস্টেল ও ১২ তলাবিশিষ্ট দুটি ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করা হবে। এই ছাত্র হোস্টেলটি নির্মাণ হবে বর্তমান প্রধান হোস্টেল ভেঙে। ফলে এই হোস্টেল ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের প্রকল্প থাকায় ভবনটিতে নতুন করে ছাত্রদের সিট বণ্টন করছে না মেডিকেল প্রশাসন। এতেই সৃষ্টি হয়েছে আবাসন সংকট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৩ মে একযোগে এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। ৫ মে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা শিক্ষা বিষয়ে উৎসাহ প্রদানের জন্য বিশেষ মোটিভেশনাল ক্লাসের আয়োজন করা হয়। পরদিন শুরু হয় নিয়মিত ক্লাস। তবে ছাত্রদের আবাসনের কোনো সুযোগ না হওয়ায় গত রবিবার (১০ মে) একযোগে বাড়ি চলে যান প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ও আসনবণ্টনের যথাযথ ব্যবস্থা না করেই তাদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা প্রদান করা একটি দায়িত্বহীন ও প্রহসনমূলক সিদ্ধান্ত। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে দেশসেরা মেধাবীরা ভর্তি হয়ে তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে, যা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশার— ছাত্রশিবিরের মেডিকেল জোন শাখার সভাপতি ডা. যায়েদ আহমাদ ও সেক্রেটারি ডা. জুলফিকার আলী
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, আবাসন সংকট মোকাবিলায় মেডিকেল কলেজের চারতলা বিশিষ্ট পুরোনো একাডেমিক ভবনের তিনটি তলায় অস্থায়ী হোস্টেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত বছরের শেষ দিকে এই ভবনটি সম্পূর্ণ ‘পরিত্যাগ’ করে সবগুলো বিভাগ সম্মুখে নির্মিত নতুন আধুনিক একাডেমিক ভবনে স্থানান্তর করা হয়। ভবনের নিচতলায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ছাড়া ভবনটির পুরোটাই অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে। তবে গত ৬ মে সারাদেশে একযোগে এমবিবিএস ক্লাস শুরু হয়ে গেলেও এই ভবনে সিট বরাদ্দ দেওয়ার কাজ শেষ করতে পারেনি কলেজ প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১২ মে) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাংলাদেশের ভূ-সীমানায় প্রথম চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পুরোনো একাডেমিক ভবনটির নিচতলায় প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া বাকি তিনটি ফ্লোর প্রায় সম্পূর্ণই খালি। কোনো কোনো কক্ষে অব্যবহৃত আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কক্ষে সদ্য রঙ করা হয়েছে। জানা গেছে, এই কক্ষগুলো প্রথমে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের বরাদ্দ দেয়া হবে। পরে প্রধান হোস্টেলে থাকা শিক্ষার্থীদেরও এই ভবনে নিয়ে আসা হবে। শিক্ষার্থীদের বরাদ্দের জন্য বেশ কিছু চৌকি নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এগুলো নিচতলার বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সলিমুল্লাহ মেডিকেলে আবাসন সংকট নিরসনের দাবি ছাত্রশিবিরের
যদিও শিক্ষার্থীরা বলছেন, ১৮৮৯ সালে নির্মিত ভবনটিতে বেশ ঝুঁকি অনুভব করেন তারা। গত বছর নতুন ভবনে একাডেমিক কার্যক্রম স্থানান্তরের সময়েও এই ভবনটিতে শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা ছিল। সে সময় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্ররা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। গত ২৯ নভেম্বর শিক্ষার্থীদের একটি বিবৃতিতে ক্লাস কার্যক্রম নতুন ভবনে না নেওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
একই সঙ্গে পুরোনো ভবনে আবাসন সুবিধার পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেছিলেন, ‘আমাদের নতুন বাসস্থান হিসেবে মেরামতকৃত পুরাতন একাডেমিক ভবন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবনটি ভঙ্গুরপ্রায়, কাঠামোগতভাবে দুর্বল, বৃহৎ আকারে ক্ষয়প্রাপ্ত। তাই উক্ত ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে হবে। নতুন একাডেমিক ভবনের উপরের কিছু তলায় কোনো ডিপার্টমেন্ট স্থানান্তরিত না হওয়ায় উক্ত স্থানে আমাদের নতুন আবাসের ব্যবস্থা করা হোক। সেটি সম্ভবপর না হলে ক্যাম্পাসের বাইরে নতুন ভবন ভাড়া নিয়ে হলেও আমাদের নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করতে হবে।’
এদিকে নতুন করে সৃষ্ট সংকটের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সোমবার (১১ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মেডিকেল জোন শিবিরের সভাপতি ডা. যায়েদ আহমাদ ও সেক্রেটারি ডা. জুলফিকার আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ও আসনবণ্টনের যথাযথ ব্যবস্থা না করেই তাদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা প্রদান করা একটি দায়িত্বহীন ও প্রহসনমূলক সিদ্ধান্ত। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে দেশসেরা মেধাবীরা ভর্তি হয়ে তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে, যা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশার।
দীর্ঘদিন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েই আমরা মেডিকেলে চলে আসি। অনেকে বেডিংসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে আসে। কারণ ঈদের আগে কোনো ছুটি থাকার কথা না, যার কারণে আমরা প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলাম। প্রতিটি মেডিকেল কলেজে ওরিয়েন্টেশনের প্রোগ্রামেই শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, কিন্তু আমরা কোথাও থাকার জায়গা পাইনি। কষ্টে-সৃষ্টে এদিক-ওদিক কিছু ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু এভাবে দীর্ঘদিন তো থাকা সম্ভব না। এজন্য আমরা বাড়ি চলে আসতে বাধ্য হয়েছি— কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থী
তারা আরও বলেন, একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। অথচ প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে নবীন শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মানসিক চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গত ৩ মে ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে দীর্ঘদিন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েই আমরা মেডিকেলে চলে আসি। অনেকে বেডিংসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে আসে। কারণ ঈদের আগে কোনো ছুটি থাকার কথা না, যার কারণে আমরা প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলাম।
তারা বলেন, প্রতিটি মেডিকেল কলেজে ওরিয়েন্টেশনের প্রোগ্রামেই শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, কিন্তু আমরা কোথাও থাকার জায়গা পাইনি। কষ্টে-সৃষ্টে এদিক-ওদিক কিছু ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু এভাবে দীর্ঘদিন তো থাকা সম্ভব না। এজন্য আমরা বাড়ি চলে আসতে বাধ্য হয়েছি।
সলিমুল্লাহ মেডিকেলের একজন ইন্টার্ন ও চতুর্থ বর্ষের একজন শিক্ষার্থী বলেন, ভবনটি ইংরেজ আমলের হওয়ায় এখনও বেশ টিকে আছে। তবে বিভিন্ন ফ্লোরে হাঁটাচলা করলে প্রায়ই নড়াচড়া টের পাওয়া যায়।
তবে মেডিকেল প্রশাসন বলছে, ভবনটি পুরোনো হলেও পরিত্যক্ত নয়, ঝুঁকিপূর্ণও ঘোষণা করা হয়নি। তারা বলছেন, নির্মাণাধীন ১৫ তলা ভবনটিতে বিভিন্ন ফ্যাসিলিটিজের সঙ্গে আবাসিক রুম থাকবে ৩১২টি, যাতে মোট সিট সংখ্যা ৯৩৬। আর দুটি ১২ তলা ছাত্রী হোস্টেলে অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজের সঙ্গে থাকবে ১৪৪টি আবাসিক রুম, যাতে মোট সিট থাকবে ৫০৪টি। ফলে যেহেতু আধুনিক হোস্টেল নির্মাণ করা হচ্ছে, সেহেতু কিছুদিন এই আবাসন সংকট মেনে নিতে হবে।
আমাদের পুরনো ভবনের উপরের অংশটুকু ছাত্রদের আবাসনের জন্য প্রস্তুত করছি। তবে এখনো টোটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রস্তুত করে উঠতে পারিনি। এজন্য অ্যালটমেন্ট দিতে পারিনি। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। আশা করি খুব সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যেই কমপ্লিট করে ফেলতে পারব— অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান, অধ্যক্ষ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
আবাসন সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমাদের পুরনো ভবনের উপরের অংশটুকু ছাত্রদের আবাসনের জন্য প্রস্তুত করছি। তবে এখনো টোটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রস্তুত করে উঠতে পারিনি। এজন্য এখনো অ্যালটমেন্ট দিতে পারিনি। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। আশা করি খুব সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যেই কমপ্লিট করে ফেলতে পারব।
তিনি বলেন, মূলত প্রধান ছাত্র হোস্টেলটি পরিত্যক্ত। পুরোনো একাডেমিক বিল্ডিং পরিত্যক্ত না। তবে আমাদের নতুন একাডেমিক ভবনের প্রয়োজন হয়েছে কারণ ক্লাস রুমে একোমোডেশনে কিছু প্রবলেম হচ্ছিল। ভবনটি যখন নির্মাণ হয়েছিল, তখন প্রতিটি ক্লাসে এত বেশি ছাত্র ছিল না। এটা এখনো নাইসলি ওয়ার্কিং বিল্ডিং। ঝুঁকিপূর্ণ বা পরিত্যক্ত ভবন হলে প্রিন্সিপালের অফিস কেন ওখানে থাকবে?
আরও পড়ুন: ২ বছর ধরে ‘দখল’ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের ইন্টার্ন হল, গণরুমে শোচনীয় হাল শিক্ষার্থীদের
শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ায় পিছিয়ে পড়বে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীরা মাঝে মাঝে এমন ‘অটো’ নেয়। তবে আমরা যেহেতু ওদেরকে একমোডেশনের জায়গা দিতে পারিনি, তাই আমরাও আর কঠিনভাবে ওদেরকে কিছু বলিনি। এটা যদি ১০ দিন থেকে দুই সপ্তাহের ব্যাপার হয়, তাহলে আমরা কাভার করে ফেলতে পারব ইনশাআল্লাহ।
নতুন হোস্টেল নির্মাণ কাজ শুরুর বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধান হোস্টেলে থাকা পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষার সময় এগিয়ে এসেছে। তাদের পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এরপর ওই জায়গাটা ভেঙ্গে ফেলে নতুন হোস্টেল হবে। সেটা ওয়ার্ক অর্ডার হয়ে আছে। কিন্তু আমরা হোস্টেলটা এখনো খালি করে দিতে পারিনি বলে হচ্ছে না।