আদালতে সাক্ষ্য

ঘরে ঢুকেই জর্জেটের উড়না দিয়ে রামিসার মুখ বাধা দেখতে পান পুলিশ কর্মকর্তা

০২ জুন ২০২৬, ১১:৫১ PM , আপডেট: ০২ জুন ২০২৬, ১১:৫১ PM
রামিসা ও ঢাকা মহানগর জজ আদালত

রামিসা ও ঢাকা মহানগর জজ আদালত © টিডিসি সম্পাদিত

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশুকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সাক্ষ্যতে উঠে এসেছে ভিকটিমকে ধর্ষণ ও হত্যার লোহমর্ষক বর্ননা। এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় রামিসার মৃত দেহ উদ্ধার ও নৃশংসতার বর্ননা দিতে দিতে কেঁদে ফেলেন বনানী থানার এস আই ইকবাল হোসেন। সাক্ষ্যতে তিনি জানান, রামিসাকে হত্যায় ব্যবহার করা হয় বাট সহ ১১ ইঞ্চির ধারালো চাকু। এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন, ঘরে ঢুকেই দেখতে পাই একটি জর্জেট উড়না দিয়ে মুখ বাধা ছিলো মৃত রামিসার।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের সময় বিকেলে আদালতে এই বর্ণনা দেন তিনি।

বনানী থানার এস আই ইকবাল হোসেন সাক্ষ্যতে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কনস্টেবল রুমা আকতার ও শরীফ মিয়াকে সাথে নিয়ে ঘটনা স্থলে দেখতে পায়। আসামির শয়নকক্ষে খাটের নিচে দুই পা দুই দিকে ছড়ানো অবস্থায় লাশ ছিলো। এর উত্তর পাশে বার্জার রঙের বড় কোটায় রামিসার মাথা ছিলো পানির ভিতরে।  

আদালতকে তিনি বলেন, এদিন ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমের পাশ থেকে  বিভিন্ন আলামত জব্দ করি। বাথরুমের ভিতর থেকে রামিসার গেঞ্জি, প্যান্ট জব্দ করি, এছাড়া বাথরুমের মেঝেতে পড়ে থাকা ধারালো চাকু। সোহেল রানার খাটের নিচে পড়ে থাকা একটি সেলাই রেঞ্জ উদ্ধার করি। ওই বার্জার রঙের বালতিতে আনুমানিক ২৫ কেজি পানি ছিলো। আসামি লোহার তৈরি গ্রীল কেটে পালিয়ে যায়। আসামির মেইন গেটে রামিসার একটা জুতা পাওয়া যায়। ঘিয়ে রংয়ের একটি জর্জেট উড়না দিয়ে মুখ বাধা ছিলো মৃত রামিসার।

আদালতকে তিনি বলেন, আসামি সোহেল রানা ধর্ষণ করে হত্যা করে। এরপর হাত কাটে গলা কাটে। এরপর তাকে গুম করার চেষ্টা করে। এরপর ব্যার্থ হয়ে গ্রীল কেটে পালিয়ে যায়। তাকে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার।

এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেয়া সাক্ষীরা হলেন-শিশুর বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান। এই মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে একদিনেই ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগ: আদালত
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপির ভাইয়েরা আমার বিরুদ্ধে ন্যারেটিভ…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
সকালেই সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁয় ৫০০ লিটারের বেশি চোলাই মদ জব্দ, গ্রেপ্তার ২
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
স্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন বলে ৬৫ কোটি টাকার প্রাসাদ বিক্র…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
মেডিকেল অফিসার নেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল, পদ নির্ধারিত নয়
  • ০১ আগস্ট ২০২৬