মমেকে ছাত্রদলের সংঘর্ষ

ভাল নেই হাফেজে কোরআন হামিদুর, মস্তিষ্ক থেকে জটিলতা কিডনিতেও

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ PM , আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ PM
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় মীর হামিদুর

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় মীর হামিদুর © সংগৃহীত

শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মীর হামিদুরের অবস্থার অবনতি হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে তার পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

মীর হামিদুর মমেক ৬১ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি পবিত্র কোরআনের হাফেজ এবং গত রমজানেও মমেক বাঘমারা ছাত্রাবাসে তারাবির নামাজ পড়িয়েছিলেন। এ ছাড়া শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে জাওয়াদ রুতাপের অনুসারী হিসেবে পরিচিতি।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে শাখা ছাত্রদল আহ্বায়ক তানভীর আব্দুল্লাহর অনুসারী ও একই ব্যাচের ছাত্র আমানুল্লাহ মুয়াজ মীর হামিদুরের ঘনিষ্ঠ জুনিয়র নাফিউল ইসলামকে এক সিনিয়রের বাইকে তেল ভরিয়ে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা থেকে এক পর্যায়ে দুটি পক্ষে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সময় আমানুল্লাহ মুয়াজ মীর হামিদুরের মাথায় প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশের হাত থেকে আমানুল্লাহ মুয়াজকে কেড়ে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় পেটাতে থাকেন নাফিউল।

আরও পড়ুন: পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে মুয়াজের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে থাকেন নাফিউল

এ ঘটনায় আমানুল্লাহ মুয়াজ ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল ও মীর হামিদুর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। আর নাফিউল ইসলামকে আমানুল্লাহ মুয়াজের হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মমেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মীর হামিদুরের বর্তমান অবস্থা সংকটাপন্ন। তার সাবডুরাল হেমাটোমা উইথ আদার কম্প্লিকেশন হওয়ায় তাকে জরুরি ভিত্তিতে নিউরোসার্জারি বিভাগে আপারেশন করা হয়। তবে আজ রবিবার সকালে একিউট কিডনি ইঞ্জুরি হয়েছে, অর্থাৎ তার কিডনি কাজ করছে না। এ অবস্থায় তাকে বর্তমানে আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং ঢাকায় রেফারের প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন: প্রতিপক্ষ গ্রুপের কর্মীকে বাইকে তেল ভরিয়ে আনার নির্দেশ থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ছাত্রদল নেতা সংকটাপন্ন

বিষয়টি নিশ্চিত করে মমেক হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মুহম্মদ ইসহাক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, তার এখন কিডনি ফেইলিউর। এটা অপারেশনের কমপ্লিকেশন থেকে হয়ে থাকতে পারে। আর এমনিতে তার মস্তিস্কে আঘাতের দরুণ মাথার খুলি আলাদা করে ফ্রিজে রেখে সেলাই দেওয়া আছে। পরবর্তীতে আবার অস্ত্রোপচার করা হবে।

তিনি বলেন, ছেলেটা ক্রিটিক্যাল। ব্রেনের অপারেশনের আসলে কোন ঠিক-ঠিকানা নাই। যেকোনো সময় খারাপ হয়ে যেতে পারে। কিডনি ফেল হয়ে গেছে হঠাৎ করে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে যে কোন সময়। যে কারণে ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত আমাদেরকে ওয়েট করতে হবে তার অবস্থা বোঝার জন্য।

সংসদে ঢাকা-দিনাজপুর বুলেট ট্রেন চাইলেন এমপি
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই শহিদদের স্মরণ না করলে এই সংসদ অপবিত্র হয়ে যাবে: নাছির…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সিনেমা হল থেকে আপত্তিকর অবস্থায় স্কুল-কলেজের ৩৫ ছাত্রছাত্র…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বিয়ের আগে অভিমানে না ফেরার দেশে সুইটি
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
নৌ-অবরোধ তুলে না নিলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি পাঠাবে না ইরান
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
নবজাতকের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বিএমইউতে প্রশিক্ষকদের…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬