সজীব দত্ত © সংগৃহীত
ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) কে-৭৫ ব্যাচের সাবেক ছাত্র সজীব দত্তের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঢামেক থেকে এমবিবিএস শেষ করে ইন্টার্নশিপের পর ইংল্যান্ডে এমফিল করছিলেন সজীব। একদিন আগে ছুটিতে বাড়ি আসেন। এরই মধ্যে আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সাতক্ষীরার কাটিয়া এলাকার কর্মকারপাড়া নারিকেলতলা মন্দির সংলগ্ন কাঞ্চন কটেজ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সজীব ঢামেকে পড়াশোনার সময় থেকেই হতাশাজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।
সজীব দত্ত স্থানীয় তপন দত্তের ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। তার ডাকনাম বলরাম। ২০১৫ সালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি।
সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহাসিন আলীর ভাষ্য, সজীব শৈশব থেকেই নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের দাবি। সকালে ঘরের ভেতর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
সজীব দত্তের সহপাঠীরা জানিয়েছেন, অনেক আগে থেকেই তিনি ডিপ্রেশনে ভুগতেন। সবসময় মন খারাপ করে থাকতেন। বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতেন না। তবে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন তিনি। মেডিকেলের কঠিন পরীক্ষাগুলোয় সবসময় প্রথম দিকে রেজাল্ট থাকত তার।
এদিকে একই দিন সদর উপজেলার রসুলপুরের কদমতলা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক (৫৫) গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নৈশ প্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সকালে বাড়ির গেটের পাশে গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
উভয় ঘটনা প্রসঙ্গে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, দুটি ঘটনাই পৃথকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। রসুলপুরের ঘটনায় মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।