বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

দিনদুপুরে ৬ ট্রাকে কয়েক কোটি টাকার মাল চুরি, নেপথ্যে প্রকৌশল-পরিচালক দপ্তর

২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১০ PM
বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ইনসেটে চুরি যাওয়া মালামালের একাংশ

বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ইনসেটে চুরি যাওয়া মালামালের একাংশ © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল থেকে অব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীসহ মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদকে প্রধান করে ৮ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে আটক হয়েছেন দুই কর্মকর্তাও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাসপাতালের পরিচালক ও প্রকৌশল দপ্তরের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন।

এ ঘটনায় আটককৃত কর্মকর্তাদের দুজনই এ দুই দপ্তরে কর্মরত। এর মধ্যে মামুনুর রশীদ হাসপাতালের উপসহকারী প্রকৌশলী, আর মো. মামুন পরিচালক দপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সরেজমিনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) দিন এবং রাতভর হাসপাতালের বেজমেন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ৬টি পিকআপ ভ্যানে লোড করা হয়। সকাল বেলা হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এসব সরঞ্জাম। এর বড় একটি অংশ নির্মাণসামগ্রী, তবে এর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জামও থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রশাসনের নাকের ডগায় এ ঘটনা ঘটলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত থাকায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

তারা বলছেন, হাসপাতাল পুরোপুরি সচল না হওয়ায় বহু চিকিৎসা সরঞ্জামও অব্যবহৃত রয়েছে, যার অনেক কিছুই কার্টুন বক্স থেকে বেরও করা হয়নি। ফলে ৬টি পিকআপ ভ্যানে বের করা এসব সামগ্রীর মধ্যে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকা অস্বাভাবিক না। যদি চুরিকৃত মালামালের তালিকায় চিকিৎসাসামগ্রী থাকে, তাহলে এসব সামগ্রীর বাজারমূল্য অন্তত ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা হতে পারে।

আরও পড়ুন: এক প্রজ্ঞাপনে প্রতিষ্ঠানের দুই নাম— লেখা হল ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’

হাসপাতালটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুল, সহকারী পরিচালক ডা. মাহমুদুল হাসান আমিন, প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান সহকারী প্রকৌশলী এরশাদুল হক ও উপসহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদকে ঘিরে এই সিন্ডিকেট গড়ে ওঠেছে। এর মধ্যে এরশাদুল হক হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন।

অলরেডি একটা জিডি করা হয়েছে। পুলিশ ইনভেস্টিগেট করবে। সে যেই হোক না কেন, যত বড় অফিসারই হোক, আমরা প্রত্যেককে অ্যারেস্ট করব। যদি চাকরিজীবী হয়, চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে— সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আওয়ামীপন্থী হিসেবে তৎকালীন সময়ে নির্মিত প্রতিষ্ঠানটিতে প্রকল্পের শুরু থেকেই যুক্ত হন ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশীদ। ফলে হাসপাতালের নাড়ি-নক্ষত্র তিনি জানেন। এর আগেও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুন্দাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি (এইচডিসি) অব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী ফেরত চেয়ে আবেদন করে বলে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই আবেদন খারিজ করে দেয়।

এই কর্মকর্তা বলেন, প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি নির্মাণ শেষে ২০২২ সালে উদ্বোধন করা হয়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কোনো অব্যবহৃত সামগ্রী থাকলে এর কিছুদিন আগে-পরে এসব সামগ্রী নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তাদের কোনো সামগ্রী হাসপাতালটিতে নেই। এখানে যা রয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয় ও এই হাসপাতালের সম্পদ। এসব সম্পদ ভুয়া তথ্য দিয়ে বের করে নিতে চেয়েছিলেন এরশাদ। মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হাসপাতালটির পরিচালনায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসক-কর্মকর্তারা যুক্ত হন। কিন্তু তারা অনেকাংশে অনভিজ্ঞ হওয়ায় এরশাদ এর সুযোগ নেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যসেবায় বিএমইউ হবে এশিয়ার সেরা ইনোভেশন হাব

অপর এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, হাসপাতালটির বর্তমান অতিরিক্ত পরিচালক ও সহকারী পরিচালক এরশাদের দেওয়া প্রলোভনে পড়েছেন। তারা দীর্ঘদিন এরশাদকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছেন। এমনকি রীতি-নীতি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন কমিটিতে প্রকৌশল দপ্তরের প্রতিনিধিও রাখা হয়।

তিনি বলেন, হাসপাতাল পরিচালক বিএনপিপন্থী হলেও তিনি এই সিন্ডিকেটের কাছে এক রকম অসহায়। এমনকি বিভিন্ন সময়ে তাকে হুমকি-ধমকি দিয়েও কাজ আদায় করে তারা। এমনকি ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী হয়ে কম্পিউটার অপারেটর মো. মামুনও নানা সময়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে কাগজে সই করিয়ে নেন।

ঘটনার দিন বিকেলে হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুলের পিএস তাকে ডেকে জানান যে বেজমেন্ট থেকে কিছু মালামাল বের হবে। তিনি গেট পাস চাইলে তাকে সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। তিনি জানতে চাইলে মাহমুদুল হাসান তাকে জানান যে বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদের কাছে অনুমতিপত্র রয়েছে— জবানবন্দিতে হাসপাতাল আনসার ক্যাম্পের প্লাটুন কমান্ডার মো. হাফিজুল ইসলাম

এই কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের অগ্নিগর্ভ সময়ে বিএমইউ হাসপাতালের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা ও হাসপাতালে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মূল উস্কানিদাতাদের একজন ছিলেন এরশাদ। কিন্তু দুর্নীতি ও লুটপাটের সিন্ডিকেটের জোরে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এদিকে এই সিন্ডিকেটের প্রমাণ মিলেছে হাসপাতালটির নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার বাহিনীর প্রধানের জবানবন্দিতে। বিএমইউর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন হাসপাতাল আনসার ক্যাম্পের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. হাফিজুল ইসলাম। ঘটনার সময়ে তিনি গেটে দায়িত্বরত ছিলেন।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুলের পিএস তাকে ডেকে জানান যে বেজমেন্ট থেকে কিছু মালামাল বের হবে। তিনি গেট পাস চাইলে তাকে সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। তিনি জানতে চাইলে মাহমুদুল হাসান তাকে জানান যে বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদের কাছে অনুমতিপত্র রয়েছে।

জবানবন্দিতে পিসি হাফিজুল ইসলাম আরও বলেন, ওই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বেজমেন্টে দুটি মিনি ট্রাক প্রবেশ করে। সেখানে আগে থেকেই সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ ও কম্পিউটার অপারেটর মো. মামুন উপস্থিত ছিলেন। পরে আরও চারটি ট্রাক ভেতরে ঢোকে। দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা মালামাল বের করার অনুমতিপত্রের ছবি তুলতে চাইলে অভিযুক্তরা বাধা দেন এবং স্টোরের দায়িত্বে থাকার দোহাই দিয়ে ছবি তুলতে নিষেধ করেন।

‘অনেক দিন আগে ওনারা একবার আমাকে জানালেন যে এগুলো হুন্ডাই কোম্পানির জিনিস, প্রজেক্টের জিনিস, ওনারা নিয়ে যাবে। কোম্পানি একটা আবেদন দিয়েছে। আমি যতটুকু জানি যে ওই আবেদনটার অনুমতি দেওয়া হয় নাই, অফিশিয়ালি কোন অফিস অর্ডারও হয় নাই— ডা. মাহমুদুল হাসান, সহকারী পরিচালক, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

ঘটনার দিন পিকআপ ভ্যান বের করানো নিয়ে এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যেই রাত সাড়ে ১১টার দিকে কিছু বহিরাগত হাসপাতালে প্রবেশ করে। তারা উত্তেজনা সৃষ্টি করলে আনসার সদস্যরা তাদের বের করে দেন। কিন্তু এরপরও পরিস্থিতি জটিল হতে থাকে। পরে প্লাটুন কমান্ডার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে রাতে গাড়ি বের করতে নিষেধ করা হয়। তবে পরদিন ভোর পৌনে ছয়টার দিকে সহকারী পরিচালক ডা. মাহমুদুল হাসান মোবাইল ফোনে নির্দেশ দেন যে সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ গেট পাস দিতে পারলে গাড়ি বের হতে পারবে। এরপর সকাল ছয়টার দিকে মালামালসহ পিকআপ ভ্যানগুলো বের হয়।

তবে জবানবন্দির বিষয়ে জানতে চাইলে কথা বলতে রাজি হননি হাসপাতালের আনসার ক্যাম্পের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. হাফিজুল ইসলাম। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, আমাদের কর্তৃপক্ষ যারা আছে, ওনাদের সাথে কথা বলেন। এ ব্যাপারটা তারা দেখবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষকের ‘শাসনে’ বিপর্যস্ত মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য

অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহমুদুল হাসান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমার কোনো অনুমতির বিষয় ছিল না। যখন আনসাররা আমাকে জানিয়েছে, আমি আমার পরিচালক মহোদয়কে জানিয়েছি। স্যারের সাথে আমার রাতে কথা হয় এবং স্যার এটা স্টপ করতে বলেন। আমি তাদেরকে জানিয়েছি স্টপ করার জন্য। রাতের বেলায় ১১-১২টা পর্যন্ত তাদের সাথেই কথোপকথন হয়। আমি সেদিন অসুস্থ ছিলাম, স্যারও জানে। পরে আমি ঘুমিয়ে পড়ছি। ভোরে উঠে আমি বাকিটুকু জেনেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি অবগত আছি— কথাটা আসলে ঠিক না। কে বলেছে, কারা বলেছে আমি জানি না। আর গেটপাস দেওয়ার বিষয়ে অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর স্যারও আমাকে কিছু বলেননি।’

সহকারী প্রকৌশলী এরশাদুল হকের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পরিচালক বলেন, ‘অনেক দিন আগে ওনারা একবার আমাকে জানালেন যে এগুলো হুন্ডাই কোম্পানির জিনিস, প্রজেক্টের জিনিস, ওনারা নিয়ে যাবে। কোম্পানি একটা আবেদন দিয়েছে। আমি যতটুকু জানি যে ওই আবেদনটার অনুমতি দেওয়া হয় নাই, অফিশিয়ালি কোন অফিস অর্ডারও হয় নাই।’

অন্যান্য অভিযুক্তদের মধ্যে হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. শহিদুল হাসান বাবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান সহকারী প্রকৌশলী এরশাদুল হকের মুঠোফোনে কল দেওয়ার পর প্রথমে ব্যস্ততাজনিত কারণে পরবর্তীতে কল দিতে বলেন। তবে পরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তার মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুল্লাহ মুন্সী কথা বলতে রাজি হননি। তদন্ত কমিটির প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তৎপরতার সাথে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অতিদ্রুত জাতীয় স্বার্থে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছে— বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল

এদিকে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২১ এপ্রিল হাসপাতালের বেজমেন্ট থেকে ভবন নির্মাণের সময়কালীন প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত প্রকৌশল শাখার কিছু অব্যবহৃত মালামাল মিনি ট্রাকের মাধ্যমে কতিপয় ব্যক্তি হাসপাতাল পরিচালকের পূর্বানুমতি গ্রহণ ব্যতিরেকে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও একজন সহকারী কম্পিউটার অপারেটরের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, যাদেরকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অভিজ্ঞতার বাধা ডিঙিয়ে অধ্যাপক হচ্ছেন বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ও সভাপতি-সেক্রেটারিসহ ৯ ড্যাব নেতা

বিবৃতিতে বলা হয়, মালামাল চুরির ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি ৮ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া সেল হতে প্রদত্ত নির্ভরযোগ্য সোর্স ব্যতীত অন্যকোনো মাধ্যম হতে বিভ্রান্তিকর তথ্য গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ করা হল। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তৎপরতার সাথে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অতিদ্রুত জাতীয় স্বার্থে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছে।

দুপুরে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এক অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল সাংবাদিকদের বলেন, এখনও মালগুলো চেক করা যায়নি। তবে আপনাদের নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারি, এগুলো লোহাজাতীয় জিনিস। কনস্ট্রাকশন ম্যাটেরিয়ালস, ভিডিওতে যা দেখা গেছে। অলরেডি একটা জিডি করা হয়েছে। পুলিশ ইনভেস্টিগেট করবে। সে যেই হোক না কেন, যত বড় অফিসারই হোক, আমরা প্রত্যেককে অ্যারেস্ট করব। যদি চাকরিজীবী হয়, চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।

জাতীয় সংসদে বীরশ্রেষ্ঠদের নামে গ্যালারি নামকরণ
  • ২২ এপ্রিল ২০২৬
২৪ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের, আবেদন ২৮ এপ্রিল থ…
  • ২২ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে সংঘর্ষ: অস্ত্রের প্রতিবাদে ‘কলম মিছিল’ হলো ঢাকা …
  • ২২ এপ্রিল ২০২৬
আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও ত্যাগীদের সঙ্গে বিতর্কিতরাও মূল্য…
  • ২২ এপ্রিল ২০২৬
দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন মেসি
  • ২২ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতায় চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের…
  • ২২ এপ্রিল ২০২৬