হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী © টিডিসি ফটো
দুই সন্তানের মুক্তির আশায় আদালতের বারান্দায় বসে থাকা আলোচিত আম্বিয়া খাতুন গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। গত ২৮ মে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি জানিয়েছেন আম্বিয়া খাতুনের ছোট ছেলে ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান।
সোমবার (১ জুন) রাত ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী চিকিৎসক ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে গিয়ে আম্বিয়া খাতুনের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এ সময় ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু, মো. আমানউল্লাহ আমানের মায়ের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আমান ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং আম্বিয়া খাতুনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন: মশা মারা শিখতে আমেরিকা নয়, সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে দাঁড়াতে মেয়রকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
হাসপাতালে এ সময় ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডা. রাশেদুল হাসান রিপন, ডা. শাহ মো. সামিউর রহমান, ডা. মো. মাহমুদ আলী বাবু এবং ডা. মো. হাফিজুর রহমান। এছাড়া যেসব দুই সন্তানের জন্য আম্বিয়া খাতুন আদালতের বারান্দায় অপেক্ষা করতেন, সেই দুই সন্তান—জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান এবং তার বড় ভাই মো. শহীদুল্লাহ মুসুল্লিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর আলোচিত পুলিশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হন ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান। তাকে গ্রেপ্তার করতে না পেরে এর আগে তার বড় ভাই শহীদুল্লাহ মুসুল্লিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। আলোচিত ওই মামলায় আমানকে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। সে সময় প্রায় নিয়মিত আমানের মায়ের সঙ্গে লন্ডন থেকে ফোনে কথা বলতেন তারেক রহমান।
পরবর্তীতে ‘দুই সন্তানের মুক্তির আশায় কোর্টের বারান্দায় বসে থাকেন ৭৫ বছরের আম্বিয়া খাতুন’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি সংবাদ দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।