লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ © সংগৃহীত
প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরেই একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলছেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে কখনই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে একসঙ্গে খেলা হয়নি জাতীয় দলের এই দুই অধিনায়কের। এবার সেই অপেক্ষা ফুরোচ্ছে।
প্রিমিয়ার লিগের আসন্ন মৌসুমে লিজেন্ড অব রূপগঞ্জে নাম লিখিয়েছেন তারা। মিরাজ ও লিটন দুজনই প্রথমবার রূপগঞ্জের জার্সিতে খেলবেন। আর প্রথমবার দলটিতে যোগ দিয়েই দলটিকে প্রথম ট্রফি এনে দেওয়ার লক্ষ্য তাদের।
দীর্ঘ সময় ধরে প্রিমিয়ার লিগে খেললেও কখনই শিরোপা জিততে পারেনি রূপগঞ্জ। তবে ২০১৮-১৯ ও ২০২১-২২ মৌসুমে রানার্স-আপ হয়েছিল তারা। রূপগঞ্জের হয়ে নাম লেখানোর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের লক্ষ্যের কথা পরিষ্কার করেন মিরাজ ও লিটন।
লিটনের ভাষ্য, “অবশ্যই সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে তো আমরা চেষ্টা করবোই। তবে আপনারা জানেন, আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি হচ্ছে জাতীয় দলের দায়িত্ব। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে যে কয়টা ম্যাচ আমরা সুযোগ পাব, চেষ্টা করব ক্লাবকে কীভাবে সাহায্য করা যায়।”
এদিকে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে তাদের কেউই প্রিমিয়ার লিগের পুরো মৌসুম খেলতে পারবেন না। ধারণা করা হচ্ছে, সর্বোচ্চ চারটি ম্যাচে রূপগঞ্জের জার্সিতে দেখা যেতে পারে তাদের। তাই দলের অধিনায়ক নির্বাচনে বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ক্লাব কর্তৃপক্ষকে। ক্লাবের কর্ণধার লুৎফর রহমান বাদলও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তার ভাষ্য, “এখনও (অধিনায়কের বিষয়ে) সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের তো দুইজনই (লিটন-মিরাজ) অধিনায়ক। ওরাই সিদ্ধান্ত ডিসিশন নেবে, কে অধিনায়কত্ব করবে। ওরা না থাকলে এদের বাইরে যারা এভেইলেবল আছে... জাতীয় দলের আরও ক্রিকেটার আছে। নাসুম আছে, শেখ মেহেদী আছে, শরিফুল আছে। তাদের মধ্যে থেকে একজন অধিনায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।”
মিরাজ ও লিটনের পাশাপাশি দলটিতে জায়গা পেয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রমাণিত পারফর্মার সাইফ হাসান, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, ইরফান শুক্কুর, হাবিবুর রহমান সোহান এবং শরিফুল ইসলাম। এছাড়া ভবিষ্যতের কথা ভেবে আশিকুর রহমান শিবলি, সামিউন বশির রাতুল ও স্বাধীন ইসলামের মতো তরুণ ও সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদেরও দলে ভিড়িয়েছে রূপগঞ্জ।