এক ছাদের নিচে বর্তমান ও সাবেক অধিনায়কেরা © সংগৃহীত
দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নেতৃত্বদানকারীদের নতুনভাবে সম্মান জানাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সাবেক অধিনায়কদের সম্মানিত করতে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয় তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান অ্যাডহক কমিটি। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৯ দিনের মধ্যেই ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ চালু করেছে তারা। দেশের হয়ে অন্তত একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে যারা অধিনায়কত্ব করেছেন, তাদের সবাইকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাবেক অধিনায়কদের জন্য বিভিন্ন বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড হস্তান্তর অনুষ্ঠান’ আয়োজন করা হয়। এই বিশেষ আয়োজনে দেশের ক্রিকেটের বিভিন্ন সময়ের অধিনায়করা এক ছাদের নিচে সমবেত হন।
অনুষ্ঠানে মোট ৩২ জন সাবেক অধিনায়ককে সম্মাননা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২৭ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী অধিনায়ক আছেন। নিজ হাতে তাদের কাছে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ তুলে দেন তামিম। এজন্য প্রত্যেক অধিনায়ককে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তামিম নিজেই। এই তালিকায় সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার মতো তারকা ক্রিকেটাররা আছেন। এ ছাড়াও নাঈমুর রহমান দুর্জয়, অমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং খালেদ মাসুদ পাইলট রয়েছেন।
দেশের ক্রিকেটে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ বিষয়টি একেবারেই নতুন উদ্যোগ। তাই স্বাভাবিকভাবেই এটি কী এবং এর উদ্দেশ্য কী; তা নিয়ে সবার মধ্যে কৌতূহল তৈরি হচ্ছে। অবশ্য বিসিবিপ্রধান তামিম নিজেই এই কৌতূহলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যাপ্টেনস কার্ডের মাধ্যমে বেশ কিছু বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন সাবেক ও বর্তমান অধিনায়করা। তা হলো-
এক. ক্যাপ্টেনস কার্ডটি একজন অধিনায়ক আজীবন আইসিসি ইভেন্ট, এসিসি ইভেন্ট, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং বিপিএল থেকে শুরু করে যেকোনো ক্রিকেটীয় আয়োজনে স্টেডিয়ান পাস হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
দুই. এই কার্ডের মাধ্যমে অধিনায়করা হেলথ ইনস্যুরেন্সের সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের অসুস্থতায় বিসিবির মেডিকেল দল তাদের সাহায্য করবে। তাদের ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট থেকে শুরু করে সবকিছুর ব্যবস্থা করবে বিসিবি।
তিন. স্টেডিয়ামে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে ভিআইপিরা যে সুবিধা পান, সেই সুবিধা পাবেন অধিনায়করা।