সৌম্য সরকার © বিসিবি
আগামী শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) থেকে অনুষ্ঠেয় নিউজিল্যান্ড সিরিজেও কি সৌম্য সরকারকে ডাগআউটেই কাটাতে হবে, হোম অব ক্রিকেটে এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে শেষ ওয়ানডেতে ৯১ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস এবং এর আগের ম্যাচে ৪৫ রানের পরও পাকিস্তান সিরিজে একাদশে জায়গা পাননি এই অভিজ্ঞ ওপেনার।
আপাতত সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমের ওপেনিং জুটির ওপরই আস্থা রাখছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলছেন, খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হবে। প্রথম ওয়ানডের আগে তাই সৌম্যর একাদশে ফেরা নিয়ে নতুন কৌতূহল জাগছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মিরপুরে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘একজন ব্যাটারকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া উচিত। একটি বা দুটি ম্যাচ যথেষ্ট নয়। তিন-চার ম্যাচ খেলার পর একজন ক্রিকেটার নিজের ভুল বুঝতে পারে। অধিনায়ক হিসেবে আমার পরিকল্পনা থাকবে যেন সবাই তার জায়গায় সঠিক সুযোগ পায়।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সিরিজসেরা হন তানজিদ হাসান তামিম এবং সেঞ্চুরিও করেন। তবে ওপেনিং পার্টনার সাইফ হাসান তিন ম্যাচে করেন মাত্র ৫২ রান। ফলে সৌম্য একাদশে সুযোগ পাননি, যা নিয়ে তখন সমালোচনাও হয়। নিউজিল্যান্ড সিরিজের দল ঘোষণার পরও সৌম্যর জায়গা নিয়ে আলোচনা চলমান, যদিও মিরাজের কথায় ইঙ্গিত মিলেছে যে তামিম–সাইফ জুটিই আপাতত ওপেনিংয়ে অগ্রাধিকার পেতে পারে।
মিরাজ বলেন, ‘আগের সিরিজে আমাদের উদ্বোধনী জুটিতে ১০০-এর বেশি রান যোগ হয়েছে। যা দলের জন্য বড় প্রাপ্তি। শুরুতে উইকেট পড়ে গেলে চাপ চলে আসে। আমরা শুধু বড় স্কোর দেখি না। অনেক সময় ১০-২০ রানের ছোট ইনিংসও দলের জন্য ইমপ্যাক্টফুল হতে পারে। আমাদের এসব বিষয় মাথায় রাখতে হয়।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১১টায় মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। একই মাঠে আগামী ২০ এপ্রিল সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেও একই সময়ে গড়াবে। পরে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে হবে গড়াবে সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি। এরপর তিন টি-টোয়েন্টির প্রথম দুটি টি-টোয়েন্টির ভেন্যুও চট্টগ্রাম। তবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হোম অব ক্রিকেটেই গড়াবে। এই সংস্করণের সবকটি ম্যাচই দুপুর ২টা থেকে গড়াবে।