ফারুক আহমেদ © সংগৃহীত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সবশেষ নির্বাচনকে ঘিরে চলতি মাসের শুরুর দিকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এরপর ধাপে ধাপে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সর্বশেষ রবিবার (২৯ মার্চ) বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তারা।
নির্বাচনের সময় নিজের মনোনয়নপত্রও জমা দিতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হওয়া প্রসঙ্গেও তদন্ত কমিটির সামনে ব্যাখ্যা দেন ফারুক। পরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ বিষয়েও কথা বলেন।
তার ভাষ্যমতে, ‘আপনারা জানেন তদন্ত কমিটিই হয় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। আমাদের ব্যাপারে নির্দিষ্ট দুই-তিনটা জিনিস জানতে চেয়েছিল, আমার সাবমিশনটা কেন দেরি হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলেছিলাম ওই চারটা দলের আমি যে দলের কাউন্সিলর, সেই দলটাও ছিল। এদের একটা অভিযোগের ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছিল, ওই ট্রাইব্যুনালের ফলাফল দিতে দেরি হয়েছিল। তারপর সভাপতি, সিইও তাদের অনুমতি নিয়ে আমাকে দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়। এটার ব্যাপারে পরের দিন আমাকে নির্বাচন কমিশনার ডেকেছিলেন, সেখানেও বলতে হয়েছে কেন দেরি হয়েছে। আমি তাদেরও একই কথা বলেছি।’
অন্যদিকে নির্বাচনের আগে শেষমুহূর্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন ১৫ জন। একই অভিযোগে আরও কয়েকজনও পরবর্তী সময়ে সরে দাঁড়ান। তবে বিসিবি সহ-সভাপতি বলছেন, প্রতিপক্ষ না থাকায় এখানে ম্যানিপুলেশনও হয়নি।
তার ভাষ্যমতে, ‘আমি বলেছি, নির্বাচনে তো এখানে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। সুতরাং এখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কেমনে থাকবে? এখানে ভোটার ছিল ৭৬ জন, ৪২ ভোট কাস্ট হয়েছে এবং আমি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছি। সুতরাং ওইখানে ৩৪ ভোট নাই। যেহেতু প্রতিপ্রক্ষ ছিল না, ওইখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কম থাকে, নাই বললেই চলে। আমার মনে হয়, ভোটাভুটি যেটা হয়েছে; ঠিকই হয়েছে।’