বিব্রতকর রেকর্ড থেকে বাংলাদেশকে মুক্তি দিল ইংল্যান্ড

০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪০ PM
ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ © সংগৃহীত

৪২ বছর পর ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে ফরম্যাটে হোয়াইটওয়াশ করল নিউজিল্যান্ড। শনিবার (১ নভেম্বর) তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডকে ২ উইকেটে হারায় নিউজিল্যান্ড। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ ৪ ও ৫ উইকেটে জিতেছিল কিউইরা। এর আগে, প্রথম ও শেষবার ১৯৮৩ সালে ইংল্যান্ডকে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছিল নিউজিল্যান্ড।

এই পরাজয়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের নামে আরেকটি বিব্রতকর রেকর্ডও জুড়েছে। তিন ম্যাচ এই সিরিজে ইংল্যান্ডের শীর্ষ চার ব্যাটার মিলে মাত্র ৮৪ রান করেছেন, ওয়ানডে ইতিহাসে তিন বা ততোধিক ম্যাচের কোনো সিরিজে টপ-ফোর ব্যাটারদের সর্বনিম্ন সম্মিলিত রান এটি। এর আগে, এই লজ্জাজনক রেকর্ডটি ছিল বাংলাদেশের, ১৯৮৮ সালের এশিয়া কাপে ৮৯ রান করেছিলেন টাইগাররা।

ওয়েলিংটনে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করে নিউজিল্যান্ড। দুই পেসার জ্যাকব ডাফি ও জ্যাক ফকসের তোপে মাত্র ৪৪ রানেই ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। জেমি স্মিথকে ৫ ও জো রুটকে ২ রানে বিদায় দেন ফকস। অন্যপ্রান্তে বেন ডাকেটকে ৮, অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে ৬ ও জ্যাকব বেথেলকে ১১ রানে আউট করেন ডাফি। 

ব্যাটিং অর্ডারের প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারিয়ে খাদের কিনারায় পড়ে যাওয়া ইংল্যান্ডকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন জস বাটলার ও স্যাম কারান। ৬৮ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তারা। তবে ৫ রানের ব্যবধানে বাটলার ও কারানকে শিকার করে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে ১০২ রানে পরিণত করেন আগের ম্যাচের হিরো পেসার ব্লেয়ার টিকনার।

পরে অষ্টম উইকেটে ৫০ বলে ৫৮ রানের জুটিতে ইংল্যান্ডকে দ্রুত গুটিয়ে যাবার হাত থেকে রক্ষা করেন জেমি ওভারটন ও ব্রাইটন কার্স। ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৩০ বলে ৩৬ রান করা কার্সকে শিকার করে জুটি ভাঙেন টিকনার। 

দশ নম্বরে নামা জোফরা আর্চারকে ১৬ রানে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে দুই শ'র নিচে গুটিয়ে যাবার শঙ্কায় ফেলেন টিকনার। কিন্তু সেটি হতে দেননি ওভারটন। শেষ উইকেটে আদিল রশিদকে নিয়ে ২৬ বলে ৩৬ রান যোগ করেন তিনি। জুটিতে ২২ বলে ৩৪ রান তুলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান ওভারটন।

শেষ ব্যাটার হিসেবে ওভারটন আউট হলে ৪০ দশমিক ২ ওভারে ২২২ রান তুলে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ১০ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৬২ বলে ৬৮ রান করেন ওভারটন। নিউজিল্যান্ডের টিকনার ৪টি, ডাফি ৩টি ও ফকস দুটি উইকেট নেন। 

জবাবে ৭৮ রানের সূচনা করে নিউজিল্যান্ড। অবশ্য, কনওয়ে ৩৪ ও রবীন্দ্র ৪৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। 

পরে মিডল-অর্ডার ব্যাটারদের ছোট ছোট ইনিংসের সুবাদে জয়ের লড়াইয়ে থাকে নিউজিল্যান্ড। চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে যথাক্রমে ২১, ৩৪ ও ৪১ রান আসে। ড্যারিল মিচেল ৪৪, টম লাথাম ১০, মাইকেল ব্রেসওয়েল ১৩, মিচেল স্যান্টনার ২৭ ও নাথান স্মিথ ২ রান করেন। 

১৯৬ রানে নিউজিল্যান্ডের অষ্টম উইকেট পতন হলে, জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ইংল্যান্ড। কিন্তু নবম উইকেটে ৩৭ বলে ৩০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে জয় এনে দেন ফকস ও টিকনার। শেষমেশ ফকস ১৪ ও টিকনার ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ডের ওভারটন ও কারান দুটি করে উইকেট নেন। 

বল ও ব্যাট হাতে দলের জয়ে অবদান রেখে এ ম্যাচেও সেরা খেলোয়াড় হন টিকনার। সিরিজ সেরা হন মিচেল। ওয়ানডের আগে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল ইংল্যান্ড। 

উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে শিক্ষাসফরে গেল এনএসইউ’র মার্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষকদের বদলি আবেদন দুইদিনে ৭ হাজার ছাড়াল
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
এইচএসসি পাসেই চাকরি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে, আবেদন ৩ সেপ্টেম্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন এলজিআরডি মন্ত্রী  
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
না ফেরার দেশে ঢাবি ছাত্র হাবিবুর রহমান শুভ
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬