বাংলাদেশ দল © সংগৃহীত
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের আপাতত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা নেই। এখন ঈদের ছুটির আমেজে আছেন সবাই। তবে চলতি মার্চেই অর্থাৎ আগামী ২৬ মার্চ শুরু হতে যাচ্ছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), যেখানে কয়েকজন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন।
তবে তাদের ওই টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়া নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিসিবির ছাড়পত্র হাতে পাননি তারা। তাই তাদের পিএসএল খেলা নিয়েও আশার আলো নেই। সোমবার (১৬ মার্চ) বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তার দাবি, বিভিন্ন দিক বিবেচনা করেই ক্রিকেটারদের ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তার ভাষ্যমতে, ‘চেষ্টা থাকবে আমাদের এখানে যাদের প্রয়োজন, ওয়ানডেতে আমরা স্বাভাবিকভাবেই কোনো ধরনের আপস করব না। আমরা যদি মনে করি যে একজন খেলোয়াড়কে ওখানে সুযোগ দিলে তার টি-টোয়েন্টিতে উন্নতির জন্য ভালো হবে এবং একই সাথে তার বিকল্পও আমাদের এখানে আছে, সেক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে ছাড় দেব।’
পিএসএলের চেয়ে দেশের ক্রিকেটের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই নীতিতেই আমরা যাচ্ছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে যতটুকু ছাড় দেওয়া যায়। কারণ পিএসএলও একটা ভালো প্রতিযোগিতা, ওখানে আমাদের ছেলেরা গেলে তাদের একটা ভালো অভিজ্ঞতা হবে। সেদিক থেকে তারা হয়তো আরও একটু পরিণত হতে পারবে। সেদিকে চোখ রেখেই এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হবে, এখনো আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা নেইনি। আশা করছি যে খুব দ্রুতই হবে সেটা।’
পাকিস্তান সিরিজ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জিং সিরিজ ছিল। আমাদের র্যাংকিংয়ের যে অবস্থা এবং সামনের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার জন্য যে পূর্বশর্ত আমাদের জন্য প্রযোজ্য, সেখানে র্যাংকিংয়ের ব্যাপারটা আছে... সেটা নিয়ে আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জ অবশ্যই ছিল। সৌভাগ্যবশত আমরা সেটা উতরে গেছি এই সিরিজে।’
ছোট্ট আক্ষেপ আছে উল্লেখ করে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল। আমরা যদি ৩-০ তে জিততে পারতাম অবশ্যই আমাদের অবস্থান আরেকটু উপরে যেতে পারতো... কিন্তু আমার মনে হয় যে পাকিস্তানের মত একটা দল যাদের অবস্থান এই মুহূর্তে চারে, তাদের সাথে এই নৈপুণ্য ও ফলাফলটা সন্তোষজনক।’