শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন নোবিপ্রবির সদ্য বিদায়ী উপাচার্য

১৫ মে ২০২৬, ০৪:০৭ PM
শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন নোবিপ্রবির সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল

শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন নোবিপ্রবির সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল © সংগৃহীত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল ক্যাম্পাস থেকে এক আবেগঘন পরিবেশে বিদায় নিয়েছেন। বিদায়ের শেষ মুহূর্তে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর উপচে পড়া ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় সিক্ত হয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিদায়ী উপাচার্য উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি দায়িত্ব পালনকালীন কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে তার জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে নোবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, ‘দীর্ঘ ১৮ মাস আপনাদের সাথে ছিলাম। আজ এক বড় আমানত থেকে মুক্ত হয়েছি। দায়িত্ব পালনকালে আমার যত অর্জন সবকিছু আপনাদের সহযোগিতার কারণে হয়েছে। আপনারা সবসময় আমাকে সহযোগিতা করেছেন। যত ব্যর্থতার সব আমার কাঁধে নিলাম। ভুল-ত্রটি হয়ে থাকলে আপনাদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘একদিন নোবিপ্রবি এদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় সেদিনের প্রত্যাশা করছি। আমি যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি, নতুন উপাচার্য মহোদয় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও বেশি উন্নতি শিখরে নিয়ে যাবেন। সবাই ভালো থাকবেন।’

নামাজ ও বক্তব্য শেষে মসজিদ প্রাঙ্গণে এক অভূতপূর্ব ও আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত সাধারণ মুসল্লি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় এলাকাবাসী বিদায়ী উপাচার্যকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি শুরু করেন। এসময় দীর্ঘদিনের প্রিয় অভিভাবককে বিদায় জানাতে গিয়ে উপস্থিত সবাই অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেক শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ডুকরে কাঁদতে দেখা যায়। উপাচার্যের চোখও এসময় অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে।

মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় চারদিক থেকে শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ তাকে ঘিরে ধরেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় নারী শিক্ষার্থীদেরও মসজিদের বাইরে এসে প্রিয় উপাচার্যকে বিদায় জানাতে দেখে আসেন।

পরবর্তীতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইলকে এক সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিবিজড়িত বিশেষ চিত্র সম্বলিত একটি দেয়ালম্যাট (ওয়ালম্যাট) উপহার হিসেবে তুলে দেন।

সবশেষে উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সবাইকে বিদায় জানিয়ে এবং সবার কাছে দোয়ার দরখাস্ত রেখে অশ্রুভেজা চোখে মসজিদ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন সদ্য বিদায়ী উপাচার্য। বিদায়বেলায় পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে বিরাজ করছিল এক বিষাদময় ও আবেগঘন পরিবেশ।

বিশ্বকাপের পর এবার চেলসিতে বার্কোর নতুন অধ্যায়
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
এক দফা দাবি ও অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী নেতারা
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
দুপাশের কথাসহ সহজেই হোয়াটসঅ্যাপে কল রেকর্ডিং করবেন যেভাবে
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
শুধু ডিগ্রি থাকলেই মিলবে না চাকরি, বদলে যাচ্ছে নিয়োগের মানদ…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
কলেজছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় বাড়িওয়ালা, ধরিয়ে দিলেন স…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ গবেষণাপত…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬