নোবিপ্রবির বিদায়ী উপাচার্যের আবেগঘন বার্তা

১৫ মে ২০২৬, ০৮:১৩ AM
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল © টিডিসি সম্পাদিত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এক আবেগঘন বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনকালীন বিভিন্ন অর্জন, পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে নবনিযুক্ত উপাচার্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘সম্মানিত নতুন উপাচার্য মহোদয়, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্নেহের শিক্ষার্থীরা, বন্ধুবান্ধব, শুভানুধ্যায়ী এবং নোবিপ্রবি পরিবারের সকল সদস্য শুরুতেই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য মহোদয়কে আমার পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। নোবিপ্রবির চিরসবুজ, সম্ভাবনাময় এবং স্বপ্নময় ক্যাম্পাসে আপনাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।’

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকার আমাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে। সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সততা, নিষ্ঠা, আমানতদারিতা এবং দায়িত্ববোধের সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে। আমি সবসময় মনে করেছি, উপাচার্যের পদ কোনো ক্ষমতার জায়গা নয়, বরং এটি একটি বড় আমানত, একটি বড় দায়বদ্ধতা এবং একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নির্মাণের গুরুদায়িত্ব।

বিদায়ী উপাচার্য উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি প্রথমেই চেষ্টা করেছি নোবিপ্রবির বাস্তব অবস্থা বুঝতে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অ্যালামনাই, অভিভাবক এবং বাইরের অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। আমাদের লক্ষ্য ছিল নোবিপ্রবিকে শুধু একটি আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নয়, বরং দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

তিনি জানান, এই পথচলায় আমরা ২০৩০ সালের জন্য কিছু বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করি। এর মধ্যে ছিল নোবিপ্রবিকে দেশের শীর্ষ ৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে ৫০টি পেটেন্ট অর্জন, বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান করে নেওয়া এবং স্কোপাস ইনডেক্স জার্নালে ৫০০০ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ নিশ্চিত করা। এসব লক্ষ্য সহজ নয়, কিন্তু বড় প্রতিষ্ঠান গড়তে হলে বড় স্বপ্ন দেখতে হয় এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সাহসী পদক্ষেপ নিতে হয়।

আরও পড়ুন: ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

গত দেড় বছরে অর্জিত অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, গত দেড় বছরের এই যাত্রায় আমরা কিছু দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছি। বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে নোবিপ্রবি নতুনভাবে পরিচিতি লাভ করেছে। টিএইচই প্রকাশিত এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিংয়ে২০২৬-এ নোবিপ্রবি ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাংকিংয়ে নোবিপ্রবি বিশ্বে ১২০১ থেকে ১৫০০ এর মধ্যে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১২তম এবং গবেষণা মানদণ্ডে বিশ্বে ৭২২তম অবস্থান অর্জন করেছে। ইন্টারডিসিপ্লিনারি সায়েন্স র‍্যাংকিংয়ে নোবিপ্রবি বৈশ্বিক পর্যায়ে ৫০১ থেকে ৬০০ এর মধ্যে এবং বাংলাদেশে ৭ম স্থান অর্জন করেছে। বিষয়ভিত্তিক র‍্যাংকিংয়েও ফিজিক্যাল সায়েন্সে বাংলাদেশে ৩য় এবং লাইফ সায়েন্সে ৮ম অবস্থান অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

স্কোপাস ইনডেক্স অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট গবেষণা প্রকাশনা ২ হাজার ৮৯৩টি এবং মোট লেখকসংখ্যা ১ হাজার ৫২৫ জন বলে জানান বিদায়ী উপাচার্য। তিনি বলেন, ২০২০ সালে ১৮৬টিপ্রকাশনা থেকে বেড়ে ২০২১ সালে ৩১৮টি, ২০২২ সালে৩৫৬টি, ২০২৩ সালে ৪১৯টি এবং ২০২৪ সালে ৪৮৯টিহয়। ২০২৫ সালে প্রকাশনা দাঁড়ায় ৫৫৪টিতে। চলতিবছর ২০২৬ সালেও ইতোমধ্যে ২০০টি গবেষণাপ্রকাশিত হয়েছে, যা বছরের শেষে আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিতদিচ্ছে।

তিনি জানান, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর র‍্যাংকিং অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক মানোন্নয়ন একটি কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়ার মধ্যে আসে। চীন, তুরস্ক, থাইল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক ও আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। এসব চুক্তি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নয়; এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দরজা খুলে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বিদায়ী উপাচার্য বলেন, গবেষণার পরিবেশ তৈরিতে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। হিট প্রকল্পে নোবিপ্রবি দেশের ১৭১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে এবং ৭টি শিক্ষা ও গবেষণা প্রকল্পে ১৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অর্থায়ন নিশ্চিত করেছে। হাই পারফরম্যান্স কম্পিউটিং, ডেটা সায়েন্স ও এআই ল্যাব প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। গবেষকদের উৎসাহ দিতে পিএইচডি ফেলোশিপ, গবেষণা প্রণোদনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী যৌথ গবেষণা বরাদ্দ, গবেষণা উৎকর্ষ পুরস্কার, উপাচার্য পদক এবং শ্রেষ্ঠ নারী গবেষক পুরস্কার চালু করা হয়েছে। আমরা চেয়েছি, নোবিপ্রবিতে এমন একটি গবেষণা সংস্কৃতি গড়ে উঠুক, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শুধু ডিগ্রি অর্জনের জন্য নয়, বরং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও সমাজের বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কল্যাণেও আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছি। নোবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো ১২টি বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। পরীক্ষায় কোডিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা শুরু হয়েছে, আধুনিক তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে ই-নথি ও পেপারলেস ব্যবস্থার দিকে এগোনো হয়েছে। BUET CSE Fest-2024-এ নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা, সক্ষমতা ও সম্ভাবনার বড় প্রমাণ।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও আমরা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছি। মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধি, ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা বৃদ্ধি, কম খরচে ডায়াগনস্টিক সেবা চালু এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা হয়েছে। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন শুধু ভবন, র‍্যাংকিং বা গবেষণার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাও তার একটি বড় অংশ।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও আমরা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছি। ৩৩৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ১০ তলা একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণ, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, লাইব্রেরি আধুনিকায়ন, সাব-স্টেশন, জেনারেটর, ক্যাম্পাসে এলইডি লাইট স্থাপন, আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ সংযোগ, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং গ্রিন ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্যোগ। এছাড়া ফিশ ল্যাব, গ্রিনহাউস, লন টেনিস কোর্ট, বাস্কেটবল ও ভলিবল কোর্ট, আধুনিক শিক্ষক-কর্মকর্তা লাউঞ্জ, আবাসিক হলগুলোতে ওয়াশিং মেশিন ও ভেন্ডিং মেশিন, ক্যাফেটেরিয়া সংস্কার, সুপারশপ, নান্দনিক এনএসটিইউ সাইনেজ এবং নীলদীঘির পাড়ে দৃষ্টিনন্দন ঘাটলা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘আমরা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্যও কিছু পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছি। ১ হাজার ২৬৫ কোটি টাকার বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একাডেমিক ভবন-৪, STEM Excellence Hub, আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ৫টি ISO সার্টিফায়েড ল্যাব, মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট, কক্সবাজারে গবেষণা কেন্দ্র, টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস, আধুনিক প্রশাসনিক ভবন, ইনডোর স্পোর্টস কমপ্লেক্স, জিমনেসিয়াম, ছাত্র-ছাত্রী হল এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। আমি আশা করি, নতুন প্রশাসন এসব উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

‘প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রেও আমরা সচেতনভাবে কাজ করেছি। শিক্ষক নিয়োগে একাডেমিক যোগ্যতা, লিখিত পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে একটি বহুস্তরীয় মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগেও লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। আমার চেষ্টা ছিল, নোবিপ্রবির মর্যাদা, সুনাম ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা যেন কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।’

তিনি বলেন, আজ বিদায়ের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অ্যালামনাই, স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং নোবিপ্রবি পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের প্রতি। আমার দেড় বছরের এই যাত্রায় আপনারা আমাকে যে সহযোগিতা, ভালোবাসা, পরামর্শ ও সাহস দিয়েছেন, তা আমি কখনো ভুলব না। অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে, অনেক কাজ শুরু হয়েছে, আবার অনেক কাজ হয়তো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। কোনো সিদ্ধান্তে, কোনো কথায় বা কোনো কাজে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, নোবিপ্রবি আমার কাছে শুধু একটি কর্মস্থল ছিল না; এটি ছিল ভালোবাসার জায়গা, দায়িত্বের জায়গা এবং স্বপ্নের জায়গা। আমি বিশ্বাস করি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মেধাবী, শিক্ষার্থীরা সম্ভাবনাময়, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরিশ্রমী এবং পুরো নোবিপ্রবি পরিবার এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। সঠিক নেতৃত্ব, ঐক্য, সততা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একদিন দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

সবশেষে তিনি বলেন, নতুন উপাচার্য মহোদয়ের প্রতি আমার আন্তরিক শুভকামনা রইল। আমি আশা করি, তিনি নোবিপ্রবির চলমান উন্নয়ন, গবেষণা, আন্তর্জাতিকীকরণ, শিক্ষার্থীকল্যাণ ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ধারাকে আরও শক্তিশালী করবেন। আমার প্রাণের নোবিপ্রবি স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে সামনে আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমার জন্য, আমার পরিবারের জন্য এবং নোবিপ্রবির জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন। দোয়া করি, আল্লাহ যেন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞান, গবেষণা, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণের এক উজ্জ্বল কেন্দ্র হিসেবে কবুল করেন।

নিজ কক্ষে মিলল ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ
  • ১৫ মে ২০২৬
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করল সুইডেন
  • ১৫ মে ২০২৬
৬ বছর পর কলেজ র‍্যাঙ্কিং প্রকাশের উদ্যোগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যাল…
  • ১৫ মে ২০২৬
নোবিপ্রবির বিদায়ী উপাচার্যের আবেগঘন বার্তা
  • ১৫ মে ২০২৬
পুকুর পাড়ে মাটি খুঁড়ছিল কুকুর, ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো মা-মেয়ে…
  • ১৫ মে ২০২৬
বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের স্কোয়াড ঘোষণা, দলে থাকলেই ৩ কোটি ট…
  • ১৫ মে ২০২৬