ভিসি নিয়োগে আয়নাবাজি

নাম একই, বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন, নিয়োগের মাস না পেরোতেই মন্ত্রণালয় জানাল—তাকে ‘ভুলে’ ভিসি বানানো হয়েছে

০৬ জুন ২০২৬, ০৬:২২ PM , আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ PM
ভিসি নিয়োগে আয়নাবাজি

ভিসি নিয়োগে আয়নাবাজি © টিডিসি ফটো

দুজনের নামেই আমির। একজন মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া, আরেকজন মো. আমির হোসেন। প্রথমজন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তো পরেরজন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত ১৪ মে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া। সে হিসেবে ১৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যোগদানও করেন তিনি। তবে যোগদানের ২৩ দিন পর তিনি জানলেন, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত ব্যক্তিটি তিনি নন, তার নিয়োগটি ‘ভুল’। আর এ কারণেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মো. আমির হোসেনকে তার স্থলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথমজনকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত করা হলেও একই ধরনের নামের কারণে ভুলবশত দ্বিতীয়জনের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল। তাদের দাবি, এটি একটি ‘টাইপিং মিসটেক’ বা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীরা প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত করার সময় ভুল করেছে।

তবে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ঘটনাটিকে সাধারণ প্রশাসনিক ভুল হিসেবে দেখছেন না। তাদের মতে, পুরো ঘটনাটি যেন বাস্তব জীবনের ‘আয়নাবাজি’; যেখানে এক ব্যক্তির স্থানে আরেক ব্যক্তি নিয়োগ পেয়ে দায়িত্বও পালন করেছেন, অথচ ভুলটি ধরা পড়তে লেগেছে প্রায় তিন সপ্তাহ।

মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া (বামে) ও মো. আমির হোসেন (ডানে)

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় এসে এপ্রিলের শুরুতে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি পুনর্গঠন করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ৬ সদস্যের এ কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেককে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য (পাবলিক ইউনিভার্সিটি) প্রফেসর মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোর্শেদ হাসান। কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়)।

এই কমিটি হওয়ার পরপরই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন সার্চ কমিটির কাছে। এই দুই ‘আমির হোসেন’ও বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, গত ১৪ মে একসঙ্গে ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওইদিন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়াকে পরবর্তী ৪ বছরের জন্য জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতাও। তবে এই নিয়োগের পরপরই গবেষণাপত্রে জালিয়াতির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত এবং একাধিকবার যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে তার নাম গণমাধ্যমে উঠে আসলে নতুন করে সমালোচনার জন্ম দেয়।

‘নাম কিন্তু একই। প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে টাইপিং মিসটেক হবে সেটা অবিশ্বাস্য। এটা তো মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেন। কারণ উনিতো স্বাক্ষর করেন ফাইলে। তাছাড়া শিক্ষক ও গবেষক আমি। আমার যে ক্ষতিপূরণ হলো সেটার দায়ভারটা মন্ত্রণালয় নেবে?’—অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়া, সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত ভিসি

জানা যায়, ২০২৪ সালে বিভাগীয় সভাপতির কাছে ড. আমির হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেখানে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি, বডি শেমিং, মানসিক নির্যাতন, অশালীন মন্তব্য, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কটূক্তি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া গবেষণাপত্রে জালিয়াতির অভিযোগে ২০১৯ সালের ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল তৎকালীন প্রশাসন।

মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়াকে অব্যহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত দুই কারণে ভিসি নিয়োগের এমন আয়নাবাজির ঘটনা ঘটেছে। প্রথমত, যৌন হয়রানি ও গবেষণাপত্রে জালিয়াতির অভিযোগের কারণে অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়ার নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে। দ্বিতীয়ত, জামালপুরের এক মন্ত্রীর পছন্দের ভিসি বসাতেও তার নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তার এই নিয়োগ বাতিলের পেছনে প্রজ্ঞাপনের টাইপিং মিসটেকের বিষয়টি সামনে এনেছে। মন্ত্রণালয়ের যুক্তি, প্রজ্ঞাপনের টাইপিং মিসটেকের কারণে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বসানো হয়েছে।

যদিও সে যুক্তি অস্বীকার করে অব্যাহতি পাওয়া সদ্য সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়া দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘নাম কিন্তু একই। প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে টাইপিং মিসটেক হবে সেটা অবিশ্বাস্য। এটা তো মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীতো নিজেই স্বাক্ষর করেছেন ফাইলে। তাছাড়া শিক্ষক ও গবেষক আমি। আমার যে ক্ষতিপূরণ হলো সেটার দায়ভারটা মন্ত্রণালয় নেবে?’

তিনি জানান, ১৪ মে প্রজ্ঞাপন পাওয়ার পর ১৬ মে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। সেক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় বরাবর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারের মাধ্যমে এক চিঠি প্রেরণের মাধ্যমে যোগদান করেছেন। এরপর কনফারেন্সসহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানও ক্যাম্পাসে আয়োজন করেছেন তিনি। ছাত্র-শিক্ষক সবাই তাকে গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি ১৫শ’ কোটি টাকারও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবও (ডিপিপি) সরকারের কাছে পাঠিছেন।

মো. আমির হোসেনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

এ কারণে তিনি টার্গেটের মুখে পড়েছেন দাবি করে বলেন, হয়ত স্থানীয় এক মন্ত্রী বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। যদিও আমি তার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি। আমাকে একদমই জানানো হয়নি, অব্যাহতি দেওয়া হবে। ঈদের পর কাল ক্যাম্পাস খুলবে। এজন্য আমি আজ চলেও এসেছি ক্যাম্পাসে। এরমধ্যে নতুন ভিসি নিয়োগের খবর পেলাম। তবে আমার অব্যাহতির চিঠি এখনও পায়নি। যদিও বিকেলে নতুন ভিসি নিয়োগ ও আগেরজনকে অব্যাহতি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

‘আজ প্রজ্ঞাপন পেয়েছি। আমি এখন ময়মনসিংহে আছি। আজকে রাতে অথবা কাল সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়েন করব। দুজনের নাম একই, এটি কাকতালীয় নাকি স্বাভাবিক—জানতে চাইলে তিনি জানান, এটা নিয়ে মন্তব্য করব না। তবে তিনি সার্চ কমিটির কাছে সিভি দিয়েছেন। তারাই তাকে নিয়োগ দিয়েছে’—অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ভিসি

এদিকে ২৪ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে সচিব তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘সচিব আমাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনাকে যোগদান করতে নিষেধ করা হয়েছিল, তারপরও কেন যোগদান করলেন? কীভাবে করলেন?’ জবাবে আমি বলেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি পাঠিয়ে নিয়ম অনুযায়ী যোগদান করেছি। তখন তিনি বলেন, ‘কোথায় যোগদান করলেন, আমি তো জানি না।’ পরে আমি সচিবের দপ্তরে চিঠি জমা দেওয়ার প্রমাণ দেখাই।’

মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, ‘একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না। আমি শুধু তাকে জানিয়েছি যে প্রজ্ঞাপনে ভুল হয়েছিল। এ কারণে প্রজ্ঞাপন জারির পর মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব তাকে ফোন করে যোগদান না করার জন্য বলেছিলেন। কিন্তু তিনি এরই মধ্যে যোগদান করে ফেলেন। মূলত প্রজ্ঞাপন জারির সময় টাইপিং মিসটেকের কারণে এ বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।’

সচিব আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও গবেষণাপত্রে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল। যা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি তদন্তে ইউসিজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা একটি কমিটি করে দিয়েছে। 

তবে সদ্য সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়া মন্ত্রণালয় থেকে ফোন পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে আমি এ ধরনের ফোন কল পাইনি।

‘প্রজ্ঞাপন জারির সময় টাইপিং মিসটেকের কারণে এমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে’—আবদুল খালেক, সচিব

নতুন নিয়োগ পাওয়া ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আজ প্রজ্ঞাপন পেয়েছি। আমি এখন ময়মনসিংহে আছি। আজকে রাতে অথবা কাল সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়েন করব।

দুজনের নাম একই, এটি কাকতালীয় নাকি স্বাভাবিক—জানতে চাইলে তিনি জানান, এটা নিয়ে মন্তব্য করব না। তবে তিনি সার্চ কমিটির কাছে সিভি দিয়েছেন। তারাই তাকে নিয়োগ দিয়েছে।

আমির হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ইউজিসির তদন্ত কমিটি গঠন
অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়ার পরপরই নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়। এরপর গত ১৭ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ইউজিসিতে পাঠানো একটি চিঠিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য পাঠাতে বলা হয়েছিল।

পরে ২৫ মে এক অফিস আদেশে ইউজিসি ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিতে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন খানকে আহ্বায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির কার্যক্রম নিয়ে জানতে প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন খানকে কল দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ঈদের ছুটির পর তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই তাকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শব্দহীন সুপারসনিক বিমান তৈরিতে বড় চমক দেখাল নাসা
  • ০৬ জুন ২০২৬
উলটো পথে অটোরিকশা, বাস চাপায় চালকসহ তিন জন নিহত
  • ০৬ জুন ২০২৬
নর্থ সাউথ শিক্ষার্থী তামিমের চিকিৎসায় প্রয়োজন বিপুল অর্থ
  • ০৬ জুন ২০২৬
হাঁটুর বয়সী ছেলেদের সাথে লাগতে যান কেন—ট্রেজারারকে সর্ব মিত…
  • ০৬ জুন ২০২৬
ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে তরুণদের পাশে সোনম ওয়াংচুক, অরবিন্দ…
  • ০৬ জুন ২০২৬
গভীর রাতে বান্ধবীকে এগিয়ে নিতে গিয়ে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ বন্ধু
  • ০৬ জুন ২০২৬