বাংলাটেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তো চলছেই, নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরাও বলছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য না দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তির মদদে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে তৎপর হয়েছেন তিনি। একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখনও ফল প্রকাশ না হলেও সিন্ডিকেটে উপাচার্যের সেই পছন্দের প্রার্থীই চূড়ান্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের ২১ মে বিভাগে দুজন প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এক্ষেত্রে মেধা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে এগিয়ে থাকা প্রথমজন নিয়ে কোনো বিতর্ক না থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া নিয়ে এই বিতর্কের সূত্রপাত। একে কেন্দ্র করে আলোচনায় উঠে এসেছে দুই প্রার্থীর নাম। তারা হলেন— ৪৪তম ব্যাচের মো. ইয়াসিন এবং ৪৬তম ব্যাচের নাফিস মাহমুদ অর্নব।
এর মধ্যে মো. ইয়াসিন ২০২৩ সালে ৩.৯৬ সিজিপিএ অর্জন করে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং বর্তমানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত। তার পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চে (নিটার) ছয় মাস প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন, বুটেক্সে সাত মাস রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ এবং ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে দুই সেমিস্টার পার্ট-টাইম প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা। এছাড়া প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বল্প সময়ের জন্য প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন ও শিল্পখাতে প্রায় এক বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
অপরদিকে নাফিস মাহমুদ অর্নব ২০২৫ সালে ৩.৮১ সিজিপিএ অর্জন করে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তার অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাত মাস ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন: অবকাঠামো ও জনবল সংকটে বুটেক্স ডে-কেয়ার সেন্টার
নিয়োগ সংশ্লিষ্টদের দাবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে ইয়াসিন তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন। লিখিত পরীক্ষাতেও ইয়াসিন অর্নবের তুলনায় বেশি নম্বর পেয়েছিলেন। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষাতেও তার পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফলে তার মেধা, যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের প্রতিফলন দেখা যায়নি।
ভাইভা চলাকালে শুরুতে এক্সটার্নাল পরীক্ষকদের ধারাবাহিক প্রশ্নের উত্তর আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিস্তারিতভাবে প্রদান করি। আমার উত্তর শুনে একজন এক্সটার্নাল পরীক্ষক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পুরো সময়জুড়ে আমি জড়তাহীন ও সাবলীলভাবে প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর প্রদান করেছি। পরবর্তীতে অধ্যাপক ইমদাদ স্যার আমাকে একটি প্রশ্নের উত্তর বোর্ডে গিয়ে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে বলেন। কিন্তু ঠিক সেই সময় উপাচার্য হঠাৎ আমাকে প্রেজেন্টেশন দিতে বাধা দেন এবং উপস্থিত শিক্ষকদের সময়স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে কেবল মৌখিক প্রশ্নোত্তর চালিয়ে যেতে বলেন এবং একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়— মো. ইয়াসিন, ভুক্তভোগী নিয়োগপ্রার্থী
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাঁচ সদস্যের একটি ভাইভা বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন, ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ইমদাদ সরকার, অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিল্পী আক্তার এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আবু বকর সিদ্দিকী ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি সূত্র এবং খোদ ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত শিক্ষকরা বলছেন, বোর্ডে উপাচার্যের হস্তক্ষেপে উত্তর মূল্যায়নের সময় ইয়াসিনকে তুলনামূলকভাবে কম নম্বর প্রদান করে দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় অবস্থানে আনা হয়। এমনকি প্রাথমিকভাবে বেশি নম্বর থাকা সত্ত্বেও পরবর্তীতে তা পুনর্বিন্যাস করে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষক নিয়োগের সময় নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত দুজন বিভাগীয় শিক্ষকের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হয়নি।
সূত্রের দাবি, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাইভা বোর্ডের অভ্যন্তরে মতবিরোধ ও বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপিত হলে সেখানে অর্নবকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত একাধিক শিক্ষক মনে করছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তির সুপারিশের কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে না পারা বাবাই ছিলেন অনুপ্রেরণা, বুটেক্সের শামীম হলেন এডমিন ক্যাডার
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত এক শিক্ষক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ইয়াসিন লিখিত পরীক্ষায় ৫০ শতাংশের বেশি নম্বর এবং অর্নব মাত্র ৪৪ শতাংশ নম্বর পায়। ইয়াসিনের ভাইভায় খুবই ভালো পারফরম্যান্স ছিল এবং কোনো প্রশ্নে তাকে আটকানো যায়নি। কিন্তু অর্নবের ভাইভা ইয়াসিনের মতো ভালো হয়নি।
তিনি বলেন, এখানে উপাচার্য হঠাৎ অর্নবকে ৯০ শতাংশ নম্বর দেয়ার কথা বলে এবং বাকি সদস্যরা তাতে সায় দেন। তারপর লিখিত পরীক্ষার নম্বর বের করে সেটাও ম্যানিপুলেট করা হয়। ভাইভার সময়ে অর্নবকে বেশি সুবিধা দেয়া হচ্ছিল। অথচ তিনি ঠিকভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারছিলেন না এবং প্রশ্নের উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগী নিয়োগপ্রার্থী মো. ইয়াসিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত, ডেমোনস্ট্রেশন এবং মৌখিক পরীক্ষা—প্রতিটি ধাপেই আমি সর্বোচ্চ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ভাইভা বোর্ডে প্রবেশের পর ভিসি স্যার আমাকে প্রেজেন্টেশন দিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু আমি প্রেজেন্টেশন শুরু করার পরপরই কোনো এক অজানা কারণে তিনি কক্ষ ত্যাগ করেন। প্রেজেন্টেশন শেষ হওয়ার পর ভাইভা শুরু হলে কিছুক্ষণ পর তিনি পুনরায় বোর্ডে যোগ দেন।
উপাচার্য হঠাৎ অর্নবকে ৯০ শতাংশ নম্বর দেয়ার কথা বলে এবং বাকি সদস্যরা তাতে সায় দেন। তারপর লিখিত পরীক্ষার নম্বর বের করে সেটাও ম্যানিপুলেট করা হয়। ভাইভার সময়ে অর্নবকে বেশি সুবিধা দেয়া হচ্ছিল। অথচ তিনি ঠিকভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারছিলেন না এবং প্রশ্নের উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছিলেন— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত একজন শিক্ষক
তিনি বলেন, ভাইভা চলাকালে শুরুতে এক্সটার্নাল পরীক্ষকদের ধারাবাহিক প্রশ্নের উত্তর আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিস্তারিতভাবে প্রদান করি। আমার উত্তর শুনে একজন এক্সটার্নাল পরীক্ষক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পুরো সময়জুড়ে আমি জড়তাহীন ও সাবলীলভাবে প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর প্রদান করেছি। পরবর্তীতে অধ্যাপক ইমদাদ স্যার আমাকে একটি প্রশ্নের উত্তর বোর্ডে গিয়ে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে বলেন। কিন্তু ঠিক সেই সময় উপাচার্য হঠাৎ আমাকে প্রেজেন্টেশন দিতে বাধা দেন এবং উপস্থিত শিক্ষকদের সময়স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে কেবল মৌখিক প্রশ্নোত্তর চালিয়ে যেতে বলেন এবং একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন বিষয়টি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়নি। তবে পরবর্তীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর পর পুরো বিষয়টি আমার কাছে যথেষ্ট সন্দেহজনক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
আরও পড়ুন: এশিয়ার শীর্ষ বিজ্ঞানীদের তালিকায় বুটেক্স শিক্ষক ড. আব্বাস
এই ঘটনায় আইনি সহায়তা নেবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার প্রতি যে অবিচার হয়েছে, তা নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলছেন। আমিও প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে চাই। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে অবশ্যই আইনি সহায়তা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। আমি আমার জীবনের সাতটি মূল্যবান বছর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় করেছি।
এদিকে ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত শিক্ষকরা বলছেন, এক পর্যায়ে অধ্যাপক শিল্পী আক্তার অভিজ্ঞতার দিক থেকে বিবেচনা করে ইয়াসিনকে সুপারিশ করেন। তবে উপাচার্য তাতে রাজি হননি। যদিও দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের কাছে এই তথ্য অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক শিল্পী আক্তার। তিনি বলেন, নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত থাকা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ড. শিল্পী আক্তার বলেন, যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল প্রত্যেকেই মেধাবী ছিল। এদের মধ্য থেকে যার উপস্থাপনা বা অন্যান্য দক্ষতা ভালো ছিল বাকিদের তুলনায় তাকেই বাছাই করা হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম পাওয়ার অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, বাইরে কে কী বলছে তা জানা নেই। তবে নিয়োগ বোর্ডে যে পাঁচজন ছিলেন তাদের সকলের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কেউ কোনো আপত্তি তোলেননি। যেহেতু সকলের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাই এখানে অনিয়মের প্রশ্ন আসছে না।
এখানে একজন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগটি এনেছে। যারা লিখিত ও ভাইভায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তারাই নির্বাচিত হয়েছে। এখানে কারো পক্ষে-বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভাইভা বোর্ডে পাঁচজন সদস্য ছিল এবং সেখানে সবার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এখানে দুর্নীতির কোনো বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই— অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন, উপাচার্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)
নিয়োগ বোর্ডের আরেক সদস্য ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানি না। আমরা ভাইভা বোর্ডে যেটা করেছি, সেটা সবাই মিলে করেছি এবং সবাই সই করেছি। যাদেরকে নিয়োগের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, বোর্ড তাদেরকেই উপযুক্ত মনে করেছে।
তিনি বলেন, ভিসির এখতিয়ার আছে শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বাস্তবতায় ভিসি যদি মনে করেন কোনো প্রার্থী ভবিষ্যতে বিভাগের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বা অন্য কোনো কারণে উপযুক্ত নয়, তাহলে তাকে বাদ দেওয়ার এখতিয়ার তার রয়েছে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন কিছু নয়। আমি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছি, বহু নিয়োগ বোর্ডে ছিলাম। এমন ঘটনা আগেও বহুবার ঘটেছে, যেখানে ভিসি নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই এসব বিষয়কে অস্বাভাবিক মনে করি না।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এখানে একজন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগটি এনেছে। যারা লিখিত ও ভাইভায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তারাই নির্বাচিত হয়েছে। এখানে কারো পক্ষে-বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভাইভা বোর্ডে পাঁচজন সদস্য ছিল এবং সেখানে সবার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এখানে দুর্নীতির কোনো বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।
নিয়োগ পরীক্ষায় উক্ত দুই প্রার্থীর বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে যাকে ভুক্তভোগী হিসেবে আনা হচ্ছে তার চেয়েও লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেয়েছে এমন পরীক্ষার্থী নির্বাচিত হয়নি। যাকে দ্বিতীয় স্থানে রাখা হয়েছে তার লিখিত পরীক্ষায় কিছু নম্বর কম থাকলেও ডেমো ও ভাইভায় পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল যার জন্য সে নির্বাচিত হয়েছে।
নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা নিয়োগ পেয়েছে তাদের আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। যাকে ভুক্তভোগী বানানো হয়েছে তার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় কেউ আমাকে কোনো সুপারিশ করেনি এবং আমি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কাজ করেছি।