শেখ মেহেদী © সংগৃহীত
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলেছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ব্যাটার। তবে, পরবর্তীতে বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রণ এনে কিউইদের রানের গতি থামিয়ে দেন রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও নিউজিল্যান্ডকে ১৮২ রানে সীমাবদ্ধ রাখতে পারায় নিজেদের বোলিং পারফরম্যান্সের কৃতিত্ব দিচ্ছেন টাইগার স্পিনার মেহেদী। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তার দাবি, চট্টগ্রামের কন্ডিশনে বোলারদের জন্য সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জ থাকে।
মেহেদী বলেন, ‘চিটাগংয়ের উইকেট বরাবরই ব্যাটিং সহায়ক হয়। তাই বোলারদের জন্য এখানে সবসময়ই চ্যালেঞ্জ থাকে, কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে হয়। গতকালের ম্যাচ দেখলেই বোঝা যায়, আমরা বোলার ইউনিট হিসেবে কতটা কঠিন সময় পার করেছি। একইভাবে নিউজিল্যান্ডও কিন্তু একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।’
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের স্বভাব অনুযায়ী শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক থাকে ব্যাটাররা। প্রথম ম্যাচেও এমন কিছুরই দেখা মিলেছিল। তবে মাঝের দিকে রিশাদ হোসেনের বোলিং এবং নিজের শেষ দুই ওভারের স্পেলকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করছেন মেহেদী।
এই স্পিনারের ভাষ্যমতে, ‘শুরুতেই আমাদের কিছুটা স্ট্রাগল করতে হয়েছে। তবে ধীরে ধীরে আমরা ম্যাচে ফিরে আসি। রিশাদের ওভারগুলো খুব ভালো ছিল, আর শেষ দিকে আমি দুইটা ওভারে ভালো কামব্যাক করি। এই দুই স্পেলে আমরা মিডল ওভারটা অনেক ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। আমরা যদি সেই সময়টা আরেকটু ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে না পারতাম, তাহলে হয়তো আরও ২০ রান বেশি খেতে হতো।’
বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে এগিয়ে রেখে এই অলরাউন্ডারের মন্তব্য, ‘ওভারঅল যদি উইকেট রিড করা যায়, তাহলে আমি বলব বোলিংয়ের দিক থেকে আমরা নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ভালো করেছি। গত এক-দেড় বছরে স্পিনাররা সত্যিই ডমিনেটিং পারফরম্যান্স করে আসছে। বিদেশের কন্ডিশনেও রিশাদ, নাসুম বা আমি—যেই সুযোগ পাচ্ছে, ভালো করছে।’
মেহেদী আরও বলেন, ‘আমি শেষ পাঁচ মাস আগে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলাম। এর মধ্যে তিন মাস কোনো প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটও খেলিনি। তাই প্রথম ম্যাচটা আমার জন্য একটু কঠিন ছিল। কিন্তু যত দ্রুত মানিয়ে নিতে পেরেছি, সেটাই আমার জন্য ভালো দিক।’