তামিম ইকবাল © সংগৃহীত
গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। বিবিসির এই অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাস। তবে স্বল্পমেয়াদি এই দায়িত্বের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে আসন্ন বিসিবি নির্বাচনেও অংশ নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।
নির্বাচনে লড়ার কথা উল্লেখ করে তামিম বলেন, ‘আমার প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই পরিষ্কার করে বলেছিলাম যে আমি পরবর্তী নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বো। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত যারা; একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন তারা প্রাপ্য।’
আগের বোর্ডের সমালোচনা করে বিসিবিপ্রধান বলেন, ‘সম্প্রতি আপনারা দেখেছেন, বাংলাদেশে ক্রিকেট প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। খেলোয়াড়রা ভুগেছেন। আমরা চাই না, এমন পরিস্থিতি আবার তৈরি হোক। নির্বাচনের পর যদি সুযোগ পাই, তাহলে আমার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবো।’
নির্বাচন সময়সীমা প্রসঙ্গে সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে, তবে এর আগেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।’
অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা থেকে বোর্ড সভাপতির ভূমিকার পার্থক্য ব্যাখ্যায় তামিম বলেন, ‘আগে শুধু দল নিয়ে ভাবতাম। এখন পুরো ক্রিকেট সিস্টেম, কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে বোর্ডের কয়েকশ কর্মচারীর কথা ভাবতে হয়। এখানে আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া চলে না। সবসময় ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থ ও দেশের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রাখতে হয়।’