খালেদ মাসুদ পাইলট © সংগৃহীত
রাজশাহী ও বগুড়াতে ওয়ানডে ফরম্যাটে চলছে বিসিএলের টুর্নামেন্ট। এ ছাড়া নিয়মিতই ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচও আয়োজিত হচ্ছে। কয়েক মাস আগে ইমার্জিং দলের খেলাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচ সেখানে আয়োজিত হচ্ছে না।
অনেকদিন ধরেই ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটের তিন ভেন্যুতে বিপিএল আয়োজন করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আর বহুদিন ধরেই বিপিএলের ভেন্যু বাড়ানোর দাবি ভক্ত-সমর্থকদের। বিসিবির একাধিক পরিচালকও ভেন্যু হিসেবে রাজশাহীকে এগিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু নানা জটিলতায় শেষমেশ রাজশাহীতে আয়োজিত হচ্ছে না বিপিএল। তবে বিসিবির পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলটের দাবি, রাজশাহীর অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি করলেই সেই সুযোগ আসতে পারে।
পাইলটের ভাষ্যমতে, 'খুবই আনন্দিত আমি নিজেই। এজন্য যে রাজশাহীতে মাঠটা এতো সুন্দর। আন্তর্জাতিক যদি চিন্তা করেন, আমাদেরকে ভৌগোলিকভাবে চিন্তা করতে হবে, ক্রিকেটকে ডেভলপ করার জন্য। পরিচালক বা সাবেক অধিনায়ক হিসেবে আমি বলব যে বাংলাদেশে তিনটা ভেন্যু আছে আন্তর্জাতিক। হাই-কোয়ালিটি যেটা সিলেট, চট্টগ্রাম এবং ঢাকা যেখানে সব সুযোগসুবিধা আছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাদের ক্রিকেটকে যদি প্রমোট করতে হয়, উন্নত করতে হয়, তাহলে আমার মনে হয় যে বিকল্প নেই যে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ের চিন্তা ছাড়া এবং এতো সুন্দর সুন্দর স্ট্রাকচার আছে বাংলাদেশে যেমন রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, বরিশালে। এই স্ট্রাকচারগুলোকে কত তাড়াতাড়ি আপনার ডেভলপ করার যায় এবং খেলার মাঠে যেন নিয়ে আসা যায়।'
রাজশাহীতে পর্যাপ্ত মাঠ থাকায় পাইলট মনে করেন, সুন্দর অবকাঠামো এবং বেশি বেশি খেলা আয়োজন করলে, তা সুফল বয়ে আনবে।
তার ভাষ্য, 'রাজশাহী শহরে প্রচুর মাঠ আছে। আপনি যদি দেখেন রাজশাহী এই স্টেডিয়াম বাইরেও আপনি বেশ কিছু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় একটা বিশাল বড় মাঠ আছে, গ্যালারিসহ মেডিকেল ক্যাম্পাস মাঠ আছে, মহিলা কমপ্লেক্স মাঠ আছে; এরকম অনেক অনেক মাঠ আছে। আমাদের আমি মনে করি যে এখানে যদি আরও সুন্দর ফ্যাসিলিটি ডেভলপ করা যায়, বেশি বেশি টুর্নামেন্ট করা যায়, লিগগুলো যদি করা যায় এবং এমনকি দেখবেন যে রাজশাহীতে অনেক একাডেমি আছে, প্রায় ৮-১০ টা ক্রিকেট একাডেমি আছে, যারা ছাত্ররা বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে এখানে পড়তে শুধুমাত্র ঐ একাডেমিতে ক্রিকেট একাডেমিতে প্র্যাকটিস করবে তার জন্য।'
শহরটিকে ইয়াং সিটি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, 'রাজশাহী এমন একটা শহর আমি বলব যে বিভাগীয় শহর তো অনেকগুলো আছে। সব শহরেই আমাদের কিন্তু ভালো সুযোগ-সুবিধা দরকার আছে এবং আছে স্ট্রাকচারগুলো আছে, কিন্তু সুবিধাগুলো ঠিকমতো রান হয় না। তো রাজশাহী তার মধ্যে অন্যতম একটা শহর বিভাগীয় শহর। আমি মনে করি এই শহরটা হচ্ছে ইয়াং সিটি।'
তিনি যোগ করেন, 'আপনি যদি দেখেন রাজশাহীতে আপনি রাস্তাঘাটে বিভিন্ন জায়গায় যাবেন এখানে কয়েক লাখ ছাত্র আছে স্টুডেন্ট আছে। আপনি যদি দেখেন আশেপাশে যে জেলাগুলো আছে, আপনি ধরেন দিনাজপুর, রংপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, পাবনা প্রত্যেকটা অঞ্চলের ছাত্ররা সব রাজশাহীতে পড়তে আসে। এখানে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আছে, বিভিন্ন কলেজ আছে, প্রতিষ্ঠান আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে ইয়াং সিটি এই সিটিতে খেলাধুলাটা সবচেয়ে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট যে আপনি যত বেশি খেলা রাখবেন, ইয়াংরা তত বেশি খেলার মধ্যে থাকবে এবং ফ্যাসিলিটিজগুলো ডেভেলপ করা উচিত।'