সংবাদ সম্মেলনে খালেদ মাসুদ পাইলট © সংগৃহীত
সারাদেশে ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে একযোগে ১৩৭টি নতুন ক্রিকেট উইকেট নির্মাণের কাজ শুরু করেছে বিসিবি। তৃণমূল থেকে শুরু করে পেশাদার ক্রিকেটার তৈরির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এটি।
এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিসিবি ইতোমধ্যে দেশের ৮টি গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়ামে খেলার উপযোগীকরণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেছে। স্টেডিয়ামগুলো হলো— খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, ফতুল্লা, কক্সবাজার, পূর্বাচল এবং বিকেএসপি। এসব ভেন্যুতে আন্তর্জাতিক মানের উইকেট ও অনুশীলন সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলটের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই ১৩৭টি উইকেট নির্মাণ করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করে, যাতে সারা বছর ক্রিকেট খেলা ও অনুশীলন সম্ভব হয়। বিশেষ করে বয়সভিত্তিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে মানসম্মত উইকেটের ঘাটতি দূর করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
বিসিবি মনে করছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে আসবে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের মান আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে জাতীয় দলের জন্য মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরির ভিত আরও শক্ত হবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পাইলট বলেন, ‘আমি সব কিউরেটরদের সাথে আলাপ করেছি। বগুড়া, রাজশাহী, বরিশাল সবাই সবার জায়গা থেকে বলেছে নিজেরা নিজেদের কাজগুলো করলে এবং আমরা সেন্ট্রালি সাপোর্ট দেবো যা যা লাগে। বাকি বানানোর কাজ তাদের।’
পাইলট আরও বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন উইকেট বানাতে বেশি সময় লাগে না। এক একটা জায়গায় যদি ৮ বা ১২টা করে উইকেট বানাই, ৮/১০ দিনের বেশি লাগবে না। আমরা একটা গাইডলাইন দিয়েছি প্রত্যেককে।’