বাংলাদেশ ক্রিকেট ও আইসিসি © সংগৃহীত
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে—এমন আশঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো শাস্তি দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বরং উল্টো বাংলাদেশকে একটি বড় পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকেই বাদ দেয় আইসিসি। এ ঘটনার পর বাংলাদেশকে শাস্তি দেওয়া হতে পারে—এমন আলোচনা চলছিল ক্রিকেট অঙ্গনে। তবে আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে দীর্ঘ সংলাপের পর এ সিদ্ধান্ত আসে। একই সঙ্গে আইসিসি এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশও করেছে।
আরও পড়ুন: মাইক নিয়ে ভোটের প্রচার, নেই কোনও আওয়াজ-তাসনীম জারার ব্যতিক্রমী প্রচারণা
আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত কিংবা প্রশাসনিক শাস্তি আরোপ করা হবে না। সংস্থাটি জানায়, শাস্তির পরিবর্তে সহযোগিতাকেই তারা অগ্রাধিকার দেয়।
পুরস্কার ঘোষণা
এই সমঝোতার অংশ হিসেবে আইসিসি ঘোষণা দিয়েছে, ২০৩১ সালের আইসিসি পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে। উল্লেখ্য, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বাংলাদেশে আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের বিষয়টি আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্ধারিত সময়সূচি এবং নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।
এ বিষয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা বলেন, “আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না। বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা দেশটির ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করার দিকে মনোনিবেশ করে যাচ্ছি।”