মেধাবীদের অংশগ্রহণের জন্য ২০২৬ সালের বৈশ্বিক কিছু প্রতিযোগিতা

১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৭ PM
মেধাবী তরুণেরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে জেনে নিন খুঁটিনাটি

মেধাবী তরুণেরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে জেনে নিন খুঁটিনাটি © সংগৃহীত

প্রতিবছরই ইউরোপ-আমেরিকা থেকে শুরু করে সারা বিশ্বেই নানা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এসব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে পুরস্কারও নিয়ে আসেন। এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হলে সবার আগে নিতে হবে জোরালো প্রস্তুতি। যথাযথ প্রস্তুতি বছরজুড়ে অনুষ্ঠিতব্য এসব প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখবে প্রতিযোগীদের। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কিছু প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি থেকে নানা বিষয়ের আদ্যোপান্ত জানব।

হাল্ট প্রাইজ

‘ছাত্রদের নোবেল পুরস্কার’ খ্যাত হাল্ট প্রাইজ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার ‘ব্যবসায়িক সমাধান’ খোঁজার একটি প্রতিযোগিতা। এটি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে যেসব আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হয়, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় পুরস্কারগুলোর একটি। প্রতিবছরই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন। এমনকি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) দল ‘সেফহুইল’ শীর্ষ ছয় দলের একটি হয়ে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল। বর্তমানে দেশের ১০০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজের অন-ক্যাম্পাস রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পাস রাউন্ডে নির্বাচিত হয়েই ধাপে ধাপে এগোতে হয়। সাধারণত তিন-চারজনের দল গঠন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়।

সুযোগ-সুবিধা—

*বিজয়ী দলকে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হয়ে;

*লন্ডনে ‘ইনকিউবেশন প্রোগ্রামে’ অংশ নেওয়া ও আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপের সুযোগ পাওয়া যায়;

*নিউইয়র্কের গ্লোবাল সামিটে আইডিয়া উপস্থাপনের সুযোগ পাওয়া যায়;

হাল্ট প্রাইজ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ

বিশ্বজুড়ে মর্যাদাপূর্ণ স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা হিসেবে পরিচিত স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ। এটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পেগাসাস টেক ভেঞ্চার্সের উদ্যোগে ১০০টিরও বেশি দেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতা উদ্ভাবনী স্টার্টআপগুলোকে বিনিয়োগকারী, করপোরেট ব্যক্তিত্ব এবং প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার একটি অনন্য সুযোগ করে দেয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বিভাগ বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। রোবোলাইফ গত বছর এই প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হয়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগ জিতেছিল।

সুযোগ-সুবিধা—

*গ্লোবাল উইনার ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বিনিয়োগ পুরস্কার পান;

*সিলিকন ভ্যালিতে বিশ্বসেরা বিনিয়োগকারী ও মেন্টরদের সামনে নিজের স্টার্টআপ উপস্থাপনের সুযোগ থাকে;

*আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নেটওয়ার্কিং ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাওয়া যায়;

স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যাকাথনগুলোর একটি। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার দেওয়া উপাত্ত ব্যবহার করে পৃথিবী ও মহাকাশের বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান করতে হয় এখানে। বাংলাদেশ দল এই প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবেই ভালো করে আসছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টিম অলীক’ ২০১৮ সালে নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় ‘বেস্ট ইউজ অব ডেটা’ বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০২১ সালে ‘বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার নিয়ে আসে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গড়া দল ‘টিম মহাকাশ’। ২০২২ সালে ‘মোস্ট ইন্সপাইরেশনাল’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘টিম ডায়মন্ডস’। ২০২৩ সালে ‘বেস্ট স্টোরিটেলিং’ বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম ভয়েজার্স’। 

সুযোগ-সুবিধা—

*নাসার রকেট উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখার আমন্ত্রণ পাওয়া যায়;

*নাসার বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি পাওয়া যায়;

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ ডিবেটিং চ্যাম্পিয়নশিপ

বিতর্কের বিশ্বকাপ হলো ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ ডিবেটিং চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতা। ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থার আদলে আয়োজিত এই আসরে বিশ্বের শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক অংশ নেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।

সুযোগ-সুবিধা—

*বিশ্বের সেরা বিতার্কিক ও চিন্তাবিদদের সঙ্গে মেধা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে;

*বৈশ্বিক জটিল ইস্যু নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক ও যৌক্তিক ভাবনায় দক্ষতা তৈরির সুযোগ;

*আন্তর্জাতিক ডেলিগেট হিসেবে বিদেশের মাটিতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ;

ডিবেটিং চ্যাম্পিয়নশিপের বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

কুইনস কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতা

সাহিত্য ও সৃষ্টিশীল লেখার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম কুইনস কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতা। ১৮৮৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর তরুণদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। নিয়মিত গোল্ড ও সিলভার মেডেলও পাচ্ছেন আমাদের শিক্ষার্থীরা।

সুযোগ-সুবিধা—

*আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লেখা প্রকাশের সুযোগ ও সনদ প্রাপ্তি;

*বিশ্বখ্যাত লেখক ও সাহিত্যিকদের সান্নিধ্য ও মেন্টরশিপ;

*বিজয়ী ও রানারআপ লন্ডন ভ্রমণ ও বাকিংহাম প্যালেসে রাজকীয় সংবর্ধনার সুযোগ পান;

কুইনস কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

গ্লোবাল আন্ডারগ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ডস

স্নাতক পর্যায়ের গবেষণাকে পুরস্কৃত করে ‘গ্লোবাল আন্ডারগ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ডস’। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতই এই প্রতিযোগিতায় ‘আঞ্চলিক বিজয়ী’ হয়ে আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। ভিন্ন ভিন্ন ২৫টি ক্যাটাগরিতে বিশ্বের সেরা মেধাবীদের সঙ্গে এখানে মেধার লড়াই হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থী জারীন তাসনীম শরীফ ২০২৪ সালে এই পুরস্কার জিতেছিলেন।

সুযোগ-সুবিধা—

*আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে আয়োজিত গ্লোবাল সামিটে অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া যায়;

*আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ;

গ্লোবাল আন্ডারগ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ডস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (আইসিপিসি)

প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্বকাপ বলা হয় আইসিপিসিকে। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর শুধু এই প্রতিযোগিতায় অংশই নিচ্ছেন না, ২০২২ সালে বাংলাদেশই ছিল চূড়ান্ত আসরের (ওয়ার্ল্ড ফাইনালস) আয়োজক। ডেটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদমে দক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিযোগিতাই হলো সবচেয়ে বড় ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ (প্রতিযোগিতাক্ষেত্র)। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই আইসিপিসিতে নিয়মিত ভালো ফল করে আসছে।

সুযোগ-সুবিধা—

*গুগল ও মেটার মতো বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাওয়া যায়;

*আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং কমিউনিটিতে শক্তিশালী অবস্থান ও স্বীকৃতি; 

আইসিপিসি প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ

সারা বিশ্বে ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিকস প্রতিযোগিতা হিসেবে খ্যাত। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছেও এই প্রতিযোগিতা বেশ জনপ্রিয়। মঙ্গল গ্রহের উপযোগী রোভার (রোবট) তৈরি করতে হয় ইউআরসিতে। ঢাকার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি), গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিসহ (আইইউটি) বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মিত ইউআরসিতে অংশ নিচ্ছে এবং ভালো করছে। 

সুযোগ-সুবিধা—

*নাসার বিজ্ঞানী ও বিশ্বের শীর্ষ রোবোটিকস বিশেষজ্ঞদের সামনে নিজের উদ্ভাবন উপস্থাপনের সুযোগ;

*মহাকাশ গবেষণা ও রোবোটিকস প্রকৌশলের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ;

*আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় ক্যারিয়ার গড়ার পথ সুগম হয়;

ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ফর্মুলা এসএই

বিশ্বজুড়ে অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সবচেয়ে বড় আসর ১৯৮০ সালে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হওয়া ফর্মুলা এসএই প্রতিযোগিতা। এখানে শিক্ষার্থীদের একটি ছোট আকারের ‘ফর্মুলা স্টাইল’ রেসিং কার নকশা ও নির্মাণ করতে হয়। ‘ফর্মুলা এসএই জাপান ২০২৫’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গত বছর সার্বিকভাবে র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম স্থান অর্জন করেছিল রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম ক্র্যাক প্লাটুন’। ‘পিআর অ্যাওয়ার্ড’ বিভাগে তাঁদের অবস্থান ছিল তৃতীয়। 

সুযোগ-সুবিধা—

*আন্তর্জাতিক অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি কাজের অভিজ্ঞতা;

*গাড়ির নকশা, উৎপাদন ও মার্কেটিং বিষয়ক ব্যবসায়িক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ;

*টয়োটা ও হোন্ডার মতো বিশ্বের বড় বড় গাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ;

ফর্মুলা এসএই প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ফিলিপ সি. জেসাপ ইন্টারন্যাশনাল ল মুট কোর্ট কম্পিটিশন

আইন শিক্ষার্থীদের ‘বিশ্বকাপ’ বলা হয় ফিলিপ সি. জেসাপ ইন্টারন্যাশনাল ল মুট কোর্ট কম্পিটিশন। এটি বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে পুরোনো মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা। শিক্ষার্থীদের কাল্পনিক আন্তর্জাতিক আদালতে একটি দেশের হয়ে লড়তে হয়। ১৯৬০ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে ২০১৭ সাল থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিবছরই মূল আসরে যাওয়ার জন্য লড়াইয়ে অংশ নেয়।

সুযোগ-সুবিধা—

*আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক ও প্রখ্যাত আইনজীবীদের সামনে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ;

*আন্তর্জাতিক আইন ও গবেষণায় নিজেকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা যায়;

*বিশ্বের নামী ল-ফার্ম ও আইনি সংস্থাগুলোয় কাজের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়;

ল মুট কোর্ট কম্পিটিশনের বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের ৩ ইউনিটের কমিটি বিলুপ্ত
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার করলে লাইসেন্স বাতিলে…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
হাতকড়াসহ পুলিশের কাছ থেকে পালাল এক আসামি
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ইরাকের এরবিলে তেল শোধনাগারে…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন শিল্পকারখানা গুটিয়ে নিতে বলল ইরান
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
মার্কিন সামরিক বিমান চলাচলের অনুরোধ প্রত্যাখান করল সুইজারল্…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081