ইরান ‍যুদ্ধে বহুলালোচিত এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ AM
এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান

এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান © ইন্টারনেট

ইরান ‍যুদ্ধে ব্যাপক আলোচনায় থাকা এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমানের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর সচিব। এর ফলে বয়সের কারণে অবসরের দ্বারপ্রান্তে থাকা বহুলালোচিত এই ক্লোজ এয়ার সাপোর্ট বিমানটি ২০২৬ সালের নির্ধারিত সময়সীমার আগেই অবসরে যাচ্ছে না। ইরানের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে এ বিমানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বিমান বাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আমরা এ-১০ ওয়ারথগ প্ল্যাটফর্মের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করব। এ পদক্ষেপটি যুদ্ধক্ষমতা বজায় রাখবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ যুদ্ধবিমানটি ১৯৭৬ সালে আকাশে ওড়ে এবং গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পেন্টাগনের বাতিলের তালিকায় রয়েছে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সাথে বর্তমান সংঘাতে এ-১০ ব্যবহার করা হয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে এর শক্তিশালী নোজ-মাউন্টেড গান (নাক বরাবর বসানো কামান) ব্যবহার করা হয়েছে।

বিমান বাহিনীর কেউ কেউ দীর্ঘকাল ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন, ওয়ারথগ এখন অনেক পুরনো, ধীরগতির এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এটি অবসরে দিলে হাইপারসনিক অস্ত্রের মতো আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে অর্থায়ন করা সহজ হবে। তবে সমালোচকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, উপযুক্ত বিকল্প ছাড়াই এ বহর কমিয়ে ফেললে স্থল সেনারা পর্যাপ্ত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে।

আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ সরাবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

এ-১০ পুরোপুরি বাদ দেওয়া প্রায় অসম্ভব প্রমাণিত হয়েছে, যার বড় কারণ এর রাজনৈতিক প্রভাব। এ বিমান বহরের সবচেয়ে বড় অংশ অ্যারিজোনার টাকসনের ডেভিস-মনথান বিমান ঘাঁটিতে রয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। ওই অঞ্চলে বিমান বাহিনী অন্যতম শীর্ষ নিয়োগকর্তা। এছাড়া অ্যারিজোনা একটি ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট’ (নির্বাচনী ফলাফল নির্ধারণী রাজ্য), যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দিন দিন আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠছে।

২০২১ সালে অ্যারিজোনার সিনেটর মার্ক কেলি বাইডেন প্রশাসনের কয়েক ডজন বিমান অবসরে পাঠানোর প্রস্তাব সফলভাবে ঠেকিয়ে দেন। তিনি প্রতিরক্ষা আইনে এমন ভাষা অন্তর্ভুক্ত করেন, যা যেকোনো ধরণের অবসর প্রক্রিয়াকে আটকে দেয়। কেলি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, ‘ক্লোজ এয়ার সাপোর্ট’ মিশনের জন্য উপযুক্ত বিকল্প না পাওয়া পর্যন্ত এ বিমান কমানো উচিত নয়।

অন্যদিকে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, পুরো বহরটি চালু রাখা নতুন প্রজন্মের বিমানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় ১৪৪ ধারার ‘মাইকিং’, ছাত্রদল নেতাক…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ৫০০ শয্যার, ১৫ তলা ভবন নির্মাণ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির ফজলুল হক হলের ভিপি, সমাজসেবা সম্পাদক ও ভুক্তভোগী শিক্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্ত…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬