জুলাইয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা
আটক ছাত্রলীগকর্মী এম. সাকিব © টিডিসি ফটো
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র( টিএসসি) থেকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী সাকিবকে দেখতে পেয়ে আটক করে ছাত্রশক্তির নেতারা।
আটক হওয়া ছাত্রলীগ কর্মীর নাম এম. সাকিব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ২০২১-২২ সেশনের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী। জুলাই আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করায় তার নামে দুটি মামলা ছিল বলে জানা যায়।
১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলায় অংশগ্রহণ করায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা স্যারের সাথে কথা বলে ওর (সাকিব) নামে মামলা আছে কিনা যাচাই করবো। যদি মামলায় ওর(সাকিবের) নাম থাকে, তাহলে সেই মামলায় চালান দিব। আর না হলে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশফাক ফারহান হিমেল বলেন, ‘আজকে টিএসসিতে থাকাকালীন আমরা একটা ছেলেকে নোটিশ করি যে ১৫ই জুলাইতে হামলাকারীদের মধ্যে একজন ছিল এবং তিনি পরবর্তীতে ৩ আগস্ট পর্যন্ত অনেক সহিংসতামূলক পোস্ট দিয়েছে এবং সবাইকে হুমকির উপরে রেখেছে এবং তার ফেসবুক এক্টিভিটিও খুবই ন্যাক্কারজনক।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জিজ্ঞেস করেছি যে তুমি এখানে কেন এসেছ, তুমি তো বহিষ্কৃত। সে বলেছে আমি আমার ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য এসেছি। যার সাথে ওর (সাকিবের) ফেসবুক এড ছিল তার ফোন দিয়ে আমরা চেক করলাম যে তার ফেসবুকে সহিংসতামূলক পোস্টগুলো একটিভ দেখাচ্ছে এবং আমরা এই বিষয়টাকে একটা থ্রেট হিসেবে দেখছি যে সে তো কোনো খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে আসতে পারে। তাই আমরা প্রক্টোরিয়াল টিমকে ডেকে তাদের গাড়িতে করেই শাহবাগ থানায় আসি এবং শাহবাগ থানায় দায়িত্বরত পুলিশের কাছে আমরা তাকে হস্তান্তর করি।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সে (সাকিব) আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্র। শাহবাগ থানায় যে আগে দুটি মামলা ছিল, তাতে ওর (সাকিবের) নাম আছে। সেই মামলাতেই ওকে গ্রেপ্তার করেছে।’