সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ৮ লাখ আসন ফাঁকা, শূন্য থাকা আসনে ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা

০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১০ PM , আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২৪ PM
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর © টিডিসি সম্পাদিত

দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোতে কেন্দ্রীয় লটারি ও ভর্তি প্রক্রিয়া শেষেও প্রায় ৮ লাখ আসন বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে। অন্যদিকে, আবেদন করার পরও কাঙ্ক্ষিত স্কুলে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী এখনও কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেনি। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বলছে, যেসব স্কুলে আসন ফাঁকা সেখানে চাইলেই শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। শূন্য আসন পূরণে নির্দেশনা রয়েছে দপ্তরের। 

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের সরকারি স্কুলগুলোতে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫৯৬টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৮টি। এর মধ্যে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে আসন খালি আছে ১৪ হাজার ৭৫টি।

বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ৯১৭টি আসনের বিপরীতে ভর্তির আবেদন করেছিল ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী। ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৮ জন। এ অবস্থায় সাড়ে ৮ লাখের মতো আসন ফাঁকা থাকলেও অসংখ্য শিক্ষার্থী এখনও কোনো স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি।

এ বিষয়ে ঢাকার অভিভাবক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, আসনসংখ্যা কম থাকার কারণে আমার সন্তানকে এবার স্কুলে ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি। 

তিনি বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোথাও সুযোগ মেলেনি। একাধিক স্কুলে আবেদন করেও সন্তানের জন্য ভালো ও মানসম্মত কোনো স্কুল পাওয়া যাচ্ছে না। এটি আমাদের জন্য খুবই হতাশার বিষয়।’

আরও পড়ুন: ঢাবিতে শেখ পরিবারের নামে থাকা ৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তন হতে পারে আজ

যদিও শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, সব অভিভাবকই চান নামি স্কুলে সন্তানকে ভর্তি করাতে। এর ফলে বেশিরভাগ স্কুলের আসনই ফাঁকা থাকছে। আবার অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারছে না।

তবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, কেন্দ্রীয় ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর স্কুলগুলোতে যেসব আসন এখনও শূন্য রয়েছে, সেগুলো পূরণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অনুমতি সাপেক্ষে স্থানীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলেন, এই ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে মূলত স্কুল কর্তৃপক্ষ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজে। কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর অবশিষ্ট শূন্য আসন পূরণের এই বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শূন্য আসনে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমত যারা আগে থেকেই ‘ওয়েটিং লিস্টে’ বা অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন, প্রতিষ্ঠান চাইলে তাদের মধ্য থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে। তবে যদি অপেক্ষমাণ তালিকায় কোনো শিক্ষার্থী না থাকে এবং নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই পুনরায় লটারির মাধ্যমে মেধা যাচাই করে তাকে ভর্তি করাতে হবে। লটারি ছাড়া সরাসরি ভর্তির কোনো সুযোগ নেই।

পবিত্র শবে বরাত আজ, রাতে যেভাবে ইবাদত করবেন
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শবে বরাত উপলক্ষে ৬ আমল পালনের পরামর্শ দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হাসনাত আব্দুল্লাহর ব্যানারে আগুন, প্রতিনিধির ওপর হামলা
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রুশ তেল কিনবে না ভারত, পণ্যে ১৮ শতাংশ শুল্কের সিদ্ধান্ত ট্র…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এপস্টাইনের সেই কুখ্যাত দ্বীপে কপারফিল্ড: যৌন শিকার তালিকা ঘ…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে জামায়াত আমিরের জনসভা মঙ্গলবার
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬