ইবি শিক্ষিকা হত্যার ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:১০ PM
৪ জনের নামে মামলা

৪ জনের নামে মামলা © টিডিসি ফটো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং ৬। মামলায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমান সহ ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

অভিযুক্তরা হচ্ছেন - কর্মচারী ফজলুর রহমান, সাবেক কর্মচারী উপ রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান। 

আজ সকালে নিহত শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় উপস্থিত হয়ে উক্ত ৪ জনের নামে এজাহার দায়ের করেন। পরবর্তীতে বাদ যোহর কুষ্টিয়া পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা ও পৌর গোরস্থানে দাফনকাজ শেষে এফআইআর প্রস্তুত করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। 

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয় বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আরএমও ডা. হোসেন ইমাম ও মেডিকেল অফিসার ডা. রুমন রহমান। এরপর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা লাশ কুষ্টিয়া শহরের বাসায় নিয়ে যান। 

আর.এম.ও ডাক্তার হোসেন ইমাম জানান, নিহত শিক্ষকের গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। এতে গভীর ক্ষত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতেই তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বুক, পেট, হাত–পাসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। বাঁচার জন্য শিক্ষক হাত দিয়ে ঠেকাতে গেছেন, এতে হাতেও আঘাত লেগেছে। যেভাবে আঘাত করা, তা খুবই ক্ষোভ ও আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ মনে হচ্ছে।

নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ চার সন্তানের জননী। ইমতিয়াজ-রুনা দম্পতির ঘরের চার সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তানের বয়স ১১ বছর, দ্বিতীয় সন্তানের বয়স ৯ বছর, তৃতীয় সন্তানের বয়স দেড় বছর এবং তাদের সবচেয়ে ছোট বাচ্চার বয়স ৬ মাস। নিহতের সহকর্মী ও স্বজনরা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলার আসামী সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেছেন, মামলা হয়েছে, আমি বা আমরা কলিগ, মামলা করেছে ম্যাডামের পরিবার। এখন তারা যদি আমার নাম ঢুকায় এখানে আমার তো কিছু বলার থাকে না। আমি তো এই বিভাগেরই শিক্ষক। যদি বিভাগের কোন অসন্তুষ্টির বিষয়ে তিনি বাসায় শেয়ার করে থাকেন তাহলে তিনি কি বলেছেন তা ম্যাডাম ই ভালো বলতে পারতেন। কিন্তু তিনি তো এখন বেঁচে নেই।  

তিনি আরো বলেন, আমাকে ৪ নম্বর আসামি দিক আর ১ নম্বর দিক, সেটা বিষয় নয়। ম্যাডাম তো নাই আমাদের মাঝে, এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয়। যে নৃশংস হত্যাকান্ড হয়েছে প্রকাশ্যে তার সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক। যে নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটেছে তা প্রকাশ্য দিবালোকে, এখানে তো আড়ালের কিছু নাই। আমি একজন অভিভাবক এবং একজন মানুষ হিসেবে বলতে চাই যে নৃশংস হত্যাকান্ড হয়েছে তার সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার এবং প্রকাশ্যে বিচার হোক।যদি আমি জড়িত থাকি তাহলে আমারও বিচার হোক। 

ছাত্রদলের গণ ইফতার: খাবার না পেয়ে ফিরে গেলেন শিক্ষার্থীরা
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
স্কলারশিপ নিয়ে পড়ুন দক্ষিণ কোরিয়ায়, আবেদন স্নাতকোত্তর-পিএই…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ছক্কার রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডকে বিশাল লক্ষ্য দিল ভারত
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
নোবিপ্রবিতে নামাজ কক্ষকে গণরুমে রূপান্তর, শিক্ষার্থীদের ভোগ…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
জুলাই শহীদদের স্মরণে ও খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া, ড্যাফোডিলে ছ…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
বিসিবির নির্বাচক হতে আগ্রহী যারা
  • ০৫ মার্চ ২০২৬