অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. জসিমউদ্দীন © টিডিসি ফটো
জার্মানির আন্তর্জাতিক গবেষণা ও শিক্ষা বিষয়ক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের দুই অধ্যাপক। তারা হলেন আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. জসিমউদ্দীন।
জানা যায়, জার্মানির টেকনিশে হখশুলে মিটেলহেসেন (THM – Technische Hochschule Mittelhessen University of Applied Sciences)-এ আগামী ৮ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য “International Research & Teaching Days 2026” কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তারা। এ উপলক্ষে আগামী ৭ জুন জার্মানির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং ১৩ জুন দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের Erasmus+ KA171 সহযোগিতা প্রকল্পের আওতায় সম্পূর্ণ অর্থায়নে এ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও জার্মানির THM-এর মধ্যে চলমান একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এই আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকালে ইবির দুই অধ্যাপক তাদের গবেষণা কার্যক্রম, উদ্ভাবনী শিক্ষা পদ্ধতি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করবেন। পাশাপাশি THM-এর শিক্ষার্থী, গবেষক ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন তারা।
কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান গবেষক, বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ থেকেও কয়েকজন নির্বাচিত গবেষক ও অধ্যাপক এতে যোগ দিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক-গবেষক রয়েছেন।
এছাড়া কর্মসূচিতে তাদের ৪৫ মিনিটব্যাপী গবেষণা উপস্থাপনারও কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে। সফরের অংশ হিসেবে তারা ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ সফর করবেন। জার্মানির পাশাপাশি ফ্রান্স ও ইতালির বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক যোগাযোগ সম্প্রসারণে অংশ নেবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক একাডেমিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।