নিয়োগ পাওয়ার দিনই শাবিপ্রবি ট্রেজারার বললেন, ‘আমার এ পদে যোগদানের ইচ্ছে নেই’

১৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:১০ AM
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও নতুন প্রশি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও নতুন প্রশি © সংগৃহীত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার পরও ওই পদে যোগ দিতে আগ্রহী নন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শাহ মো. আতিকুল হক। নিয়োগের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, কোষাধ্যক্ষ পদে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। এ সিদ্ধান্তের কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। এরপর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন অধ্যাপক শাহ মো. আতিকুল হক।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সবাইকে বলছি, দয়া করে আমাকে অভিনন্দন জানাবেন না। এটি কোনো আনন্দের বিষয় নিয়ে লেখা পোস্ট নয়। আমি আপনাদের আরও জানাতে চাই যে, আমি কোষাধ্যক্ষ হিসেবে এখনো যোগ দিইনি এবং যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছাও আমার নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমি আমার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘নানা জটিলতা ও মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে যাওয়া এবং অনেক কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলায় ব্যর্থ হওয়ার পর, আমার মনে হয়—যে কাজটিতে আমি স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি বোধ করি, সেটাই চালিয়ে যাওয়া শ্রেয়। একজন মানুষ হিসেবে আমি আমার সাধ্যমতো সেরাটাই করার চেষ্টা করি। ২০০৬ সালে প্রভাষক হিসেবে যে কাজ শুরু করেছিলাম, তা আমি উপভোগ করি। তাই দয়া করে আমাকে অভিনন্দন জানাবেন না।’

এর আগে সোমবার রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শাহ মো. আতিকুল হককে শাবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮৭-এর ১৪(১) ধারা অনুযায়ী সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এই অধ্যাপককে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের মেয়াদ ও শর্তও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কোষাধ্যক্ষ পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত হবে। এর মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, সেটিই নিয়োগের মেয়াদ হিসেবে গণ্য হবে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন। বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধাও ভোগ করবেন।

তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে উপাচার্য কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা ও দায়িত্বও পালন করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শাহ মো. আতিকুল হক বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং মন্ত্রণালয়েও ইমেইলের মাধ্যমে চিঠি দিয়েছি। আমি আসলে এই পদ চাই না। এই পদে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। আমি একজন অধ্যাপক হিসেবে যেখানে আছি, সেখানেই আমার কাজটি করে যেতে চাই।’

খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ের আসর থেকে চলে গেলেন জাপানপ্রবাসী বর
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
আমার ছবি শেয়ার করে অমার্জিত পোস্ট দেওয়া একমাত্র ছাত্রদলের প…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
নিয়োগ পাওয়ার দিনই শাবিপ্রবি ট্রেজারার বললেন, ‘আমার এ পদে যো…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে জাতীয় ক্যালেন্ডার এখন সময়ের দাবি
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিআইইউ সাংবাদিক সমিতির আত্নপ্রকাশ: নেতৃত্বে হাবিবুল্লাহ-মুজ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage