ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ © টিডিসি ফটো
নিজ বিভাগের অফিস কক্ষে কর্মচারীর হাতে নিহত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার রেখে যাওয়া চার সন্তানের অভিভাবকের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাদ যোহর কুষ্টিয়া পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নিহত শিক্ষিকার জানাজায় উপস্থিত হয়ে একথা বলেন তিনি।
ইবি উপাচার্য বলেন, আসমা সাদিয়া রুনা অত্যন্ত বিনয়ী একজন মানুষ ছিলেন। গতকাল ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরে সেখানে যেয়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। কিছুই বলতে পারছিলাম না। এমন মর্মান্তিক ঘটনা জীবনে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখিনি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, সকল শিক্ষক- ছাত্র সমাজ আজকে শোকাভিভূত। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ তার পরিবারের সবাই আজ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের কাছে হত্যাকারীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করে।
তিনি আরো বলেন, অপরাধীর শাস্তির ব্যাপারে কোনো ভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং রুনার পরিবার থেকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। রুনাকে যেভাবে অত্যাচার করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমরা দোয়া করবো পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ যেনো তাকে শহীদের মর্যাদা দান করেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসারে রুনার পরিবারের যত প্রাপ্য আছে, সব কিছু আমরা নিশ্চিত করবো। রুনার পরিবারে চারটি সন্তান আছে, এ পরিবারের পাশে থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গার্জিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে ইনশাআল্লাহ।
জানাজায় নিহত শিক্ষিকার বাবা, স্বামী, আত্মীয় স্বজনরা ছাড়াও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, সহকারী প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রসংগঠনের নেতা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। একজন সাধারণ কর্মচারী কর্তৃক এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য শাস্তি দাবি করেছেন আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী।