শেরপুরের সীমান্তঘেঁষা হারিয়াকোণা-মারিয়াংপাড়া

যে পাহাড়ে বাইক রাইডারদের জন্য হতে পারে রোমাঞ্চকর যাত্রা

২৮ মে ২০২৬, ১০:৫৪ PM , আপডেট: ২৮ মে ২০২৬, ১০:৫৬ PM
হারিয়াকোণা-মারিয়াংপাড়ার পাহাড়

হারিয়াকোণা-মারিয়াংপাড়ার পাহাড় © সংগৃহীত

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিতে রাইডিং ও অ্যাডভেনচার উপভোগ করতে চাইলে বাইকারদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে শেরপুরের সীমান্তঘেঁষা হারিয়াকোণা ও মারিয়াংপাড়া এলাকার পাহাড়ি রুট। গারো পাহাড়শ্রেণির সবুজ টিলা, রাবার বাগানের আঁকাবাঁকা পথ, কাঁচা ও ইটের সোলিং রাস্তা এবং সীমান্তঘেঁষা প্রকৃতির রোমাঞ্চ— সব মিলিয়ে এ রুটটি বাইকারদের কাছে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার উত্তরাঞ্চলে ভারতের সীমান্তঘেঁষা এ এলাকাজুড়ে রয়েছে ঘন সবুজ পাহাড়, বনভূমি এবং নীরব প্রকৃতি। শহরের কোলাহল থেকে দূরে গিয়ে দীর্ঘ রাইডের জন্য নতুন গন্তব্য খুঁজছেন এমন বাইকারদের জন্য এটি হতে পারে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

মারিয়াংপাড়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো রাবার বাগানের পাশ দিয়ে যাওয়া পাহাড়ি পথ। সারি সারি রাবার গাছের মাঝ দিয়ে আঁকাবাঁকা কাঁচা রাস্তা বাইকারদের জন্য তৈরি করে আলাদা অ্যাডভেনচার অনুভূতি। পাহাড়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিটি বাঁকই যেন নতুন রোমাঞ্চের জন্ম দেয়।

তবে পাহাড়ি অংশে বাইক নিচে রেখে হেঁটে পাহাড়ে উঠতে হয়। স্থানীয়দের মতে, বাইকের নিরাপত্তা ও পাহাড়ি পথের স্বাভাবিক অবস্থার কারণে এটাই সবচেয়ে ভালো ও নিরাপদ পদ্ধতি। নিচে বাইক পার্ক করে পাহাড়ে ওঠার পর শুরু হয় প্রকৃত ভ্রমণের আসল সৌন্দর্য।

পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে চোখে পড়ে পাশাপাশি উঁচু নিচু বেশ কয়েকটি পাহাড়। আরও আছে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রকৃতি এবং ভারতের সীমান্তবর্তী সুপারি বাগান। নিচে স্পষ্ট দেখা যায় কাঁটাতারের সীমান্ত রেখা, যা এই পাহাড়কে আরও অনন্য করে তোলে। একদিকে বাংলাদেশের পাহাড়ি সৌন্দর্য, অন্যদিকে সীমান্তের ওপারের সবুজ দৃশ্য— সব মিলিয়ে তৈরি হয় ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা।

পাহাড়ে রয়েছে টংঘর, যেখানে বসে বাইকাররা বিশ্রাম নিতে পারেন এবং স্নিগ্ধ বাতাস ও নীরব প্রকৃতি উপভোগ করতে পারেন। বিকেলের সময় সূর্যাস্তের দৃশ্য এই রাইডিং ট্রিপকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।

রুটজুড়ে দেখা যায় কর্ণঝোড়া, মালাকোচা, দিঘলাকোনা, হারিয়াকোণা, চান্দাপাড়া ও বাবেলাকোনাসহ বিস্তীর্ণ পাহাড়ি জনপদ। 
স্থানীয়দের মতে, বর্ষাকালে এই রুট কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে, তবে শীত ও গ্রীষ্মে রাইডিং তুলনামূলক আরামদায়ক। কাঁচা ও ইটের সোলিং রাস্তা হওয়ায় অভিজ্ঞ বাইকারদের কাছে এটি একটি অ্যাডভেঞ্চারাস ট্রেইল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যেভাবে যাবেন
পাহাড়ে যেতে হলে শ্রীবরদী পৌর শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরের কর্ণঝোড়া বাজারে পৌঁছাতে হয়। সেখান থেকে মেঘাদল বাজার হয়ে সরাসরি হারিয়াকোণা-মারিয়াংপাড়া রুটে প্রবেশ করা যায়।

বিকল্প হিসেবে শেরপুর জেলা শহর থেকে ঝিনাইগাতী হয়ে গজনি রুট ব্যবহার করা যায়। এ পথে দূরত্ব কিছুটা বেশি হলেও পাহাড়ি রাস্তার বাঁক, সবুজ বনাঞ্চল এবং গারো পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য বাইকারদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে।

ঈদের ছুটিতে যারা লং রাইড বা উইকেন্ড বাইকিং প্ল্যান করছেন, তাদের জন্য মারিয়াংপাড়া ও হারিয়াকোণা হতে পারে আদর্শ অ্যাডভেঞ্চার ডেস্টিনেশন— যেখানে রাইডিংয়ের সঙ্গে মিশে যায় প্রকৃতি, পাহাড় আর সীমান্তের অনন্য অভিজ্ঞতা।

শপথ নিতে পারবেন বিএনপির নির্বাচিত এমপি সারোয়ার: হাইকোর্ট
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পু…
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীর স্বপ্নপূরণে পাশে দাঁড়ালেন বরিশাল বিশ্ব…
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
তলিয়েছে বাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বন্ধ পড়াশোনাও—এইচএসসি নিয়ে ক…
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় প্রাণ গেল দুই কিশোর-কিশোরীর
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ১৮ ফুটবলার, কোন দলের …
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence