ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে মশার ব্যাপক উপদ্রব দেখা দিয়েছে © টিডিসি সম্পাদিত
মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হলগুলোতে দিন দিন বেড়েই চলেছে মশার উৎপাত। ক্যাম্পাস যেনো হয়ে উঠেছে এক ‘রক্তদান কেন্দ্র’।
শিক্ষার্থীরা জানান, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে মশার উপস্থিতি থাকলেও বিকেল থেকে বাড়তে থাকে মশার উপদ্রব। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন, ক্লাসরুম, ওয়াশরুম, ছাদ, বাগান প্রায় সব জায়গাতেই মশার উপদ্রব দেখা যায়। একই অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে থাকা ছেলেদের ছয়টি হল ও মেয়েদের তিনটি হলেও।
তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ফলে স্বাভাবিক পড়াশোনা, বিশ্রাম ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মশার উপদ্রব থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পেতে কার্যকর উদ্যোগের দাবি শিক্ষার্থীদের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর হলের শিক্ষার্থী মো. আবুল খায়ের বলেন, আমার কাছে মনে হয়, আমি যেনো এক মশার রাজ্যে মশারি নামক খাঁচায় বন্দি এক আজব প্রাণী। বাইরে থেকে সব মশা আমাকে অবাক হয়ে দেখছে, আর নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ক্লাসেও মশা, ক্যান্টিনেও মশা, সব জায়গায় মশা। ক্লাস শেষে ক্যান্টিনে নাস্তা করতে গেলেও মশার কামড় খেতে হয়। বিকেল বা সন্ধ্যায় বাগানে আড্ডা দিতেও বসা যায় না।
শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই তারা নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, ক্যাম্পাস ও হল এলাকায় ওষুধ ছিটানো এবং ক্যাম্পাসসহ আশেপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বাড়ানোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. তাহজীব উল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসসহ আশপাশের এলাকায় সিটি করপোরেশন মশা নিধন স্প্রে করে থাকে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেছি, যাতে তারা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়।