প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
রাজধানীর ভাটারা এবং রামপুরা এলাকায় পৃথক দুই বাসায় দুই নারীর মৃরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভাটারায় একটি বাড়ির ষষ্ঠ তলার ফ্ল্যাট থেকে আনিপা নিন্দিয়া (২৫) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রবিবার সকালে ভাটারা থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহত আনিপা লালমাটিয়া মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার একলাসপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আশফাক ভূঁইয়া। তিনি ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ভাটারা এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
নিহত শিক্ষার্থীর ছোট ভাই আকিল ভূঁইয়া জানান, 'আমি এবং আমার বড় বোন বাসায় থেকে লেখাপড়া করি। আমাদের মা-বাবা নারায়ণগঞ্জে থাকেন। শনিবার রাতে বাসায় ফিরে আমার আপুর কোনো সাড়া শব্দ পাচ্ছিলাম না। পরে তার রুমের দরজা জোরে ধাক্কা দিয়ে দেখি আপু অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন।'
ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রায়হানুল ইসলাম বলেন, 'রাতের দিকে খবর পেয়ে বাসা থেকে ঐ নারীর মরদেহ উদ্ধার করি। এ সময় মরদেহের আশেপাশে বেশ কয়েকটি খালি মদের বোতল পাই। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।'
অন্যদিকে রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী এলাকায় কলেজছাত্রী লাইকা মিলিন (১৭) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তার বাবা শাহাদাত হোসেন জানান, 'সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমাদের ভাড়া বাসার চার তলায় জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আমার মেয়ে ঝুলে থাকে। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই।' তিনি আরও বলেন, কী কারণে তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে তা বলতে পারছি না।
নিহত লাইকা মিলিন বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা জানান, তার মেয়ের সাইনোসাইটিসের সমস্যা ছিল এবং প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করত।