প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
রাজধানীর কদমতলিতে এক বিএনপি নেতার বাসা থেকে বদর উদ্দিন (২১) নামে এক কর্মচারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কদমতলির মুরাদপুরের ওই বিএনপি নেতার বাসার সপ্তম তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য বদর উদ্দিনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, নিহত বদর উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপার দলিলপুর পূর্বপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. গোলাম মোস্তফা। অন্যদিকে বাসার মালিকের নাম রবিউল ইসলাম দিপু। তিনি কদমতলি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
কদমতলি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বেলাল হোসেন জানান, সকালে খবর পেয়ে মুরাদপুরের বাসাটির সপ্তম তলার দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই সময় মরদেহটি ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল এবং অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
তিনি আরও জানান, বাসার মালিক রবিউল ইসলাম দিপু পেশায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ী। বদর উদ্দিন তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ছিল। রবিউল ইসলামের প্রতিষ্ঠানের মোট ৬ জন কর্মচারী ওই বাসাটির ৭ তলায় থাকত। সবাই ঈদের ছুটিতে বাড়ি গেলেও বদর উদ্দিন ঢাকাতেই ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তিন দিন আগে বদর উদ্দিন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে কদমতলি থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সভাপতি রবিউল ইসলাম দিপু জানান, মুরাদপুর আলী সরদার রোডে তার ৭ তলা বাড়ি রয়েছে। নিজেরা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকেন। এলাকায় তার ইন্টারনেটের ব্যবসা রয়েছে। আর বাসাটির ৭ তলায় ছয়জন কর্মচারী থাকেন।
তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে ৫ জন কর্মচারী বাড়ি গেলেও বদর উদ্দিন বাসাতেই ছিল। বুধবার সকালে উপরে উঠে দেখি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। তবে বাসার ভেতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এরপর থানা পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সে কী কারণে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।