জামায়াতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে অশনিসংকেত হিসেবে দেখি: ফরহাদ মজহার

২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৭ AM , আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৮ AM
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভায় বক্তব্য রাখছেন ফরহাদ মজহার

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভায় বক্তব্য রাখছেন ফরহাদ মজহার © সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেন, এটাকে ভয়ঙ্কর অশনিসংকেত হিসেবে দেখছেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘দেশব্যাপী গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট: সমাজের করণীয়’ শীর্ষক সভায় এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ফরহাদ মজহার।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। জামায়াত যদি বাংলাদেশে শরিয়াহ আইন চালু করতে চায়, তাহলে সেটা করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ওপর শতভাগ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে সভায় ফরহাদ মজহারের মন্তব্য জানতে চান এক সাংবাদিক।

এসময় জবাবে ফরহাদ মজহার বলেন, আমি মনে করি যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের প্রতিটি দলই কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। কেউ সরাসরি, কেউ ইনডাইরেক্টলি (পরোক্ষভাবে)। আমি প্রথমত মনে করি, ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবটাকে আন্তর্জাতিকভাবে বলা হয়, এটা রেজিম চেঞ্জ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে অশনিসংকেত হিসেবে দেখি: ফরহাদ মজহার

তিনি বলেন, এমনকি গণ–অধিকার পরিষদ ও গণ–অভ্যুত্থানের আগেও আমি বলেছি যে বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে সরানো এটা কোনো ইস্যু নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রই সরিয়ে দেবে। আমাদের কাজ হচ্ছে নতুন বাংলাদেশ রাষ্ট্র কী করে আমরা গঠন করব। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র একটা ভূরাজনৈতিক শক্তি এবং পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক আইন বলে কিছু নাই। দেখেছেন ট্রাম্পের যে আচরণ। এই রূঢ় বাস্তবতা, এই বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে আমার চিন্তা, আমি ১৭ কোটি মানুষকে নিয়ে বেঁচে থাকব কী করে? আমার প্রশ্ন খুব সহজ। আমি ১৭ কোটি মানুষকে নিয়ে ডাল–ভাত দিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। কারও সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাই না।

ফরহাদ মজহার আরও বলেন, আপনারা অনেকে ভারতবিরোধিতার কথা বলেন, ভারতের আধিপত্য আমি স্বীকার করি। কিন্তু আপনারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কথা বলেন না কেন? কী জন্য বলেন না? জামায়াত তো বলে নাই, গাজাতে (ফিলিস্তিনের) এই যে স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) যাচ্ছে, আমার সেখানে আপত্তি আছে। তবে বোঝা গেল জামায়াতের সঙ্গে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের একটা নীতি, একটা সম্পর্ক রয়েছে। ফলে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এই বক্তব্যটা দিচ্ছে। এটা আমি ভয়ঙ্কর অশনিসংকেত হিসেবে দেখি।

গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চ নামের একটি সংগঠন এই সভা আয়োজন করে। সভায় আলোচনকদের মধ্যে আহমেদ ফেরদৌস, ভাববৈঠকীর সংগঠক মোহাম্মদ রোমেল উপস্থিত ছিলেন।

 

রাবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করায় তীব্র প্রত…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত আমির
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
তারেক রহমানের বরিশাল সফরের তারিখ পেছাল
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না করলে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়বে: আজিজি
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ল ৪০ কেজির বিরল প্রজাতির কচ্ছপ
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬