কোলাজ ছবি © সংগৃহীত
জোটভিত্তিক সমঝোতা ও দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন করে সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসন থেকে নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ১১ জন প্রার্থী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে তারা ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ান। মূলত ১০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী নিশ্চিত করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই প্রার্থীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সিলেট-১ আসনে জামায়াতের জেলা আমির হাবিবুর রহমানকে সমর্থন দিয়ে নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন এনসিপির এহতেশামুল হক ও খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান। সিলেট-২ আসন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমেদ সিদ্দিকী ও জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান।
সিলেট-৩ আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিসের মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজুকে সমর্থন দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন জামায়াত মনোনীত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ। একই আসন থেকে আরও সরে দাঁড়িয়েছেন খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইন ও এনসিপির ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ। এছাড়া সিলেট-৪ আসনে জোটের স্বার্থে মুফতি আলি হাসান উসামা ও এনসিপির রাসেল উল আলম তাদের মনোনয়নপত্র তুলে নিয়েছেন, যেখানে জোটের প্রার্থী হিসেবে থাকছেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন।
সিলেট-৫ আসনেও জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন জামায়াত প্রার্থী হাফিজ মো. আনওয়ার হোসাইন খান। অন্যদিকে সিলেট-৬ আসনে দলীয় নির্দেশনায় দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়। এর ফলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অপর প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী।