জামালপুর নার্সিং কলেজ

অধ্যক্ষের পুনর্বহালের দাবিতে নার্সিং অধিদপ্তরে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ PM
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান © সংগৃহীত

জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাদী মাহমুদাকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে (ডিজিএনএম) অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যক্ষকে কী কারণে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে তাকে বদলি করে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন বাতিল করে তাকে স্বপদে বহাল রাখতে হবে।

শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবির বিষয়ে অধিদপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। স্মারকলিপিতে ১৩ অক্টোবর দুপুর ২টার মধ্যে অধ্যক্ষ শাহজাদী মাহমুদাকে স্বপদে বহাল রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তাদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, স্মারকলিপিতে দুপুর ২টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের পরও তারা কোনো সমাধান পাননি। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নার্সিং শাখার সাগর আহমেদ মিয়া ও নার্সিং পেশাজীবী মিজানুর রহমান। এ সময় মিজানুর রহমান বলেন, জামালপুরের একটি শান্ত ও সুশৃঙ্খল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ অস্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ দেওয়া যায় না। সমস্যার সমাধানের আশায় শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে এসেছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এখন হাসপাতালের ওয়ার্ডে গিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দেওয়ার কথা ছিল। অথচ ন্যায্য দাবির বিষয়ে অবস্থান নিতে তাঁদের ঢাকায় আসতে হয়েছে। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অধ্যক্ষকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ বা বিভাগীয় প্রধানকে হঠাৎ সরিয়ে দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, শিক্ষা কার্যক্রম ও দায়িত্ব পালনে প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, জামালপুর থেকে শিক্ষার্থীরা রাতভর ভ্রমণ করে ঢাকায় এসেছেন। বর্তমান ডিজিকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাঁদের দাবির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি থেকে সরে যাবেন না। একই সঙ্গে ঢাকায় অবস্থানরত নার্সিং পেশাজীবী ও সংশ্লিষ্টদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে অধিদপ্তরে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবি হলো, অধ্যক্ষ শাহজাদী মাহমুদাকে তার পদে পুনর্বহাল করে এ বিষয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হলে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে যেতে পারবেন।

একেকটি মৃত্যু, একেকটি স্বপ্নের সমাপ্তি—১০ মাসে ৭ শিক্ষার্থী…
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
স্কুলে ভর্তি: প্রথম শ্রেণিতে লটারি যেভাবে
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সিনিয়র অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, আবেদন ২৫ অক্…
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
নাহিদ রানার চোটের রহস্য উন্মোচন
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্লাস্টিকের বোতল দিলেই গাছের চারা দিচ্ছে ছাত্রদল
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টা…
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬