নিনমাসে ‘রেসিডেন্সি ইনডাকশন প্রোগ্রাম অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন’ অনুষ্ঠিত

০৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৯ PM
নিনমাসে ‘রেসিডেন্সি ইনডাকশন প্রোগ্রাম অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন’ অনুষ্ঠিত

নিনমাসে ‘রেসিডেন্সি ইনডাকশন প্রোগ্রাম অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন’ অনুষ্ঠিত © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম শক্তিশালী শাখা ‘নিউক্লিয়ার মেডিসিন’ বা পরমাণু চিকিৎসায় উচ্চতর শিক্ষা নিতে আসা নবীন চিকিৎসকদের বরণ করে নিয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেস (নিনমাস)। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ক্যাম্পাসের নিনমাস অডিটোরিয়ামে এই বর্ণাঢ্য ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে এমডি রেসিডেন্সি কোর্সের ১১তম ব্যাচের (মার্চ ২০২৬ সেশন) নতুন চিকিৎসকদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নবীন এই বিশেষজ্ঞদের পরমাণু চিকিৎসার আধুনিক প্রযুক্তি এবং গবেষণার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা.  হারুন আল রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, বিএমইউর প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ এবং নিনমাসের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শামিম মমতাজ ফেরদৌসি বেগম। বক্তারা নিনমাস এবং নতুন চিকিৎসকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিন্টিগ্রাফী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নিনমাসের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ও কোর্স পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা। তিনি তার বক্তব্যে এমডি রেসিডেন্সি কোর্সের ইতিহাস এবং বর্তমানে এর ব্যাপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘সিএমই’ (CME) সেশন, যার শিরোনাম ছিল— ‘How Nuclear Medicine Talks to Medical Sciences’। সেখানে সহকারী অধ্যাপক ডা. পাপিয়া আক্তার এক বিশেষ প্রবন্ধের মাধ্যমে দেখান কীভাবে পরমাণু শক্তি চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার সাথে সমন্বয় করে কাজ করে। তিনি তুলে ধরেন, ক্যান্সার কিংবা থাইরয়েডের মত জটিল রোগ শনাক্তে এই প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে পরমাণু শক্তি এখন আর কল্পনা নয়, বরং এক বিশাল বাস্তব। তরুণ চিকিৎসকদের এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে নিনমাস পরিচালক ও কোর্স কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী বলেন, বাংলাদেশে আনুপাতিক হারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার ৪১১ জনের মত, যা দেশের জনসংখ্যা এবং চিকিৎসক অনুপাতে মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবার জন্য বড় সমস্যা।

ডা. ফজলুল বারী আরও বলেন, নিউক্লিয়ার মেডিসিনের ২২টি সেন্টার রয়েছে, তার মধ্যে নিনমাস একটি ওয়ার্ল্ড এক্সিলেন্স সেন্টার, যা বিশেষায়িত সেন্টার হিসেবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে। নিনমাসে প্রায় ১০ হাজার রোগী প্রতিদিন ফলোআপে আসেন। গত ১ বছরে ১৩০০ জনের মত ক্যান্সার রোগীর পেট সিটি সেবা প্রদান করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আল্ট্রাসাউন্ড ফর অল’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে চিকিৎসকদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশ ৩০ শতাংশ মানুষ জানে না যে তার রোগ রয়েছে এবং চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, নতুন চিকিৎসকদের দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এই কোর্সের মাধ্যমে তারা নিজেদের বিশ্বমানের বিশেষজ্ঞ হিসেবে তৈরি করতে পারবেন।’

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. তপাতি মন্ডল এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. সামসুন্নাহার বেলী। ওরিয়েন্টেশন শেষে নবীন চিকিৎসকদের হাতে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অস্থিরতা, ভেঙে দেওয়া হল কমিটি, …
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
১২ কেজির এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
পরীক্ষার্থীদের জন্য কেন্দ্রে পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দ…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে লোডশেডিংয়ের সময় পরিবর্তন
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
কলেজে ঢুকে অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬