ভাবিনি প্রথম হব, ফল পাওয়ার পর অনেক সময় আম্মুকে জড়িয়ে ধরে ছিলাম

২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৪ PM , আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০৩ PM
রিফাত আল রাফি

রিফাত আল রাফি © টিডিসি সম্পাদিত

আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেছেন রিফাত আল রাফি। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মেধাক্রমে প্রথম হয়েছেন তিনি। পরীক্ষায় নিজের সাফল্যের গল্প নিয়ে মুখোমুখি হয়েছেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের। তার কথাগুলো শুনেছেন—মো. সজিব। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এত ভালো ফল করার পর আপনার অনুভূতি কী?
আমি আসলে পরীক্ষা দিয়ে ভেবেছিলাম হয়ত প্রথম ৫০-এর মধ্যে থাকব। কিন্তু প্রথম স্থান অর্জন করব—এমন কোনো প্রত্যাশা ছিল না। ফলাফল দেখার পর সত্যিই অনেক অবাক হয়েছিলাম। তখন অনেক সময় আমার আম্মুকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। সব মিলিয়ে অনুভূতিটা খুব সুন্দর ছিল।

এ ছাড়া আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ইউনিটে ৮ম, সি ইউনিটে ১০ম, আইবিএতে ১৩তম এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) বিবিএ জেনারেল ইউনিটে ৮ম স্থান অর্জন করেছি।

আরও পড়ুন: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পাশাপাশি থাকছে এমফিল-পিএইচডির সুযোগ

আপনার ভর্তি পরীক্ষার সাফল্যের পেছনের গল্পটা কেমন ছিল?
আমার প্রস্তুতির গল্পটা বেশ অগোছালো। একসময় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু কলেজে ওঠার পর সেটা বদলে যায়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে পড়ার সিদ্ধান্ত নিই এবং ‘খ’ ইউনিটকে ব্যাকআপ হিসেবে রাখি। তাই অ্যাডমিশন পিরিয়ডের শুরুতে ‘খ’ ইউনিটের পড়াশোনা খুব বেশি করা হয়নি।

আইবিএর প্রস্তুতির পাশাপাশি মাঝে মাঝে সাধারণ জ্ঞান ও বাংলা ব্যাকরণ পড়তাম। আইবিএ পরীক্ষার পর হাতে পাওয়া দুই সপ্তাহ সময়েই মূলত ‘খ’ ইউনিটের জন্য পুরো উদ্যমে পড়াশোনা করি। আইবিএর রেজাল্টে চান্স না পেয়ে কিছুটা ভেঙে পড়েছিলাম, তবে সেটার প্রভাব ‘খ’ ইউনিটের প্রস্তুতিতে পড়তে দিইনি।

আপনার এই সাফল্যের পেছনে কারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন?
অ্যাডমিশনের পুরো সময় যারা আমার পাশে ছিল, সবার প্রতিই আমি কৃতজ্ঞ। মা–বাবার সমর্থন না পেলে হয়ত স্ট্রিম পরিবর্তন করা সম্ভব হতো না। বিশেষ একজন মানুষ আমার জীবনের প্রতিটি কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন—তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়া আমার মেন্টর সাদিউর রহমান ভাইয়া এবং সিয়াম ভাইয়ার অবদানও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির রুটিন কেমন ছিল?
আমার কোনো নির্দিষ্ট রুটিন ছিল না। ভর্তি পরীক্ষার শেষ দুই সপ্তাহে দিনে প্রায় ১০–১২ ঘণ্টা পড়ার চেষ্টা করেছি। বাংলা পড়ে বিরক্ত হলে সাধারণ জ্ঞান পড়তাম, আবার ক্লান্ত লাগলে অন্য বিষয়ে চলে যেতাম। ইংরেজির জন্য আলাদা করে খুব বেশি পড়া হয়নি।

ভবিষ্যতে কী করতে চান?
আমি খুব দূরের পরিকল্পনা করতে পছন্দ করি না। আপাতত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি শেষ করতে চাই। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পরে দেখা যাবে।

ভবিষ্যৎ পরীক্ষার্থীদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
কলেজ জীবনেই বাংলা ও ইংরেজির বেসিক ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত। এতে এইচএসসি পরবর্তী সময়টায় সাধারণ জ্ঞান বা ব্যাকরণের মতো বিষয়গুলো সহজে কভার করা যায়। ভর্তি পরীক্ষায় এগিয়ে যেতে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপি সরকারের মন্ত্রিপরিষদে থাকছেন নুর, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণ…
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনা ছাত্রলীগের জেলা সহ-সভাপতি গ্রেফতার
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের শপথ
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শপথ অনুষ্ঠানে আসার সম্ভাবনা নেই মোদির
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা শিশির মনিরের
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভুয়া র‍্যাব পরিচয়ে চাঁদাবাজি, নকল ওয়াকিটকিসহ গ্রেপ্তার ১
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!