স্বাধীনতার মর্যাদা তখনই রক্ষা পায়, যখন জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো যায়: স্বাস্থ্যের ডিজি

২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ PM
অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস

অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস © সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে উন্নত ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষায় জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া অপরিহার্য।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে ডিজি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদকে, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, যাঁদের অদম্য সাহস, ত্যাগ, দেশপ্রেম ও সংগ্রাম আমাদের জাতিসত্তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৭১ সালে গণহত্যা, দুঃসহ নির্যাতন এবং রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছিল, তা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।

স্বাধীনতার এই গৌরবগাথায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অনন্য ও অবিস্মরণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁরা শুধু অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেননি; তাঁরা বাঙালির আত্মমর্যাদা, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মুক্ত জীবনের জন্য লড়াই করেছেন। সংকটের মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীকালে রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর দৃঢ় নেতৃত্ব জাতিকে সংগঠিত ও উদ্দীপ্ত করেছিল, জনমনে সাহস, ঐক্য ও প্রতিরোধের শক্তি সঞ্চার করে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসের চেতনাকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার দেশ পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নকে গতিশীল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বাড়ানো, বিনাব্যয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগও তাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। এসব উদ্যোগ এখনো চলমান প্রচেষ্টা; তবে একটি কল্যাণমুখী ও নাগরিকমুখী রাষ্ট্র নির্মাণের লক্ষ্য সরকার স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে আমি মনে করি, স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা তখনই রক্ষা পায়, যখন আমরা জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে পারি, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে। তাই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধের একটি পথ হলো-জনগণের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এই মহান দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক— আমরা একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। দেশের মানুষের উন্নয়নের ধারাকে যুগোপযোগী স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে শক্তিশালী করব।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১ সেপ্টেম্বর, নির্দেশি…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ভারতের রানপাহাড়, ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে শ্রীলঙ্কা
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
শেষ ৩ সেমিস্টারে একজনও ভর্তি হয়নি ইউআইটিএসের ইইইতে, বিভাগের…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
বছর ঘুরে আবার আসছে বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
উখিয়া ক্যাম্পে জেনারেটরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেল নারী…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬