আকুনা-সেনেসি © সংগৃহীত
স্কোয়াড ঘোষণার পর থেকেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। কোচ লিওনেল স্কালোনির দলে কিছু পরিচিত মুখের জায়গা হয়নি, আবার কয়েকজন নতুন খেলোয়াড়ও জায়গা পেয়েছেন। এ নিয়েই ফুটবল মহলে নানা প্রশ্ন জেগেছে।
বিশেষ করে মার্কোস আকুনাকে নিয়ে বেশি আলোচনা চলছে। যদিও শুধু পারফরম্যান্স নয়, তার শারীরিক অবস্থাও এর পেছনে বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বারবার মাংসপেশির চোটে ভুগেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই লেফট-ব্যাক। বেলগ্রানোর বিপক্ষে অ্যাপার্তুরা টুর্নামেন্টের ফাইনালে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। সেই চোটের কারণে মৌসুমের শেষ ম্যাচেও খেলতে পারেননি তিনি।
ধারণা করা হচ্ছে, ইনজুরি সমস্যার কারণেই চূড়ান্ত স্কোয়াডে তার সুযোগ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। হয়তো বিকল্প অপশনগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন স্কালোনি। লেফট-ব্যাক পজিশনে নিকোলাস তালিয়াফিকো প্রথম পছন্দ হলেও, তার বিকল্প হিসেবে ভ্যালেন্টিন বার্কো আছেন, রক্ষণভাগের পাশাপাশি আক্রমণেও খেলতে সক্ষম তিনি। এ ছাড়া ফাকুন্দো মেদিনাও ওই পজিশনে কার্যকর বিকল্প।
আরেক ডিফেন্ডার মার্কোস সেনেসিরও স্কোয়াডে জায়গা হয়নি। বোর্নমাউথের হয়ে দারুণ মৌসুম কাটানো এই ফুটবলারের প্রতি টটেনহাম ও লিভারপুলের আগ্রহ রয়েছে বলে গুঞ্জন। তবুও স্কালোনির পরিকল্পনায় জায়গা পাননি তিনি, এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে কৌশলগত সিদ্ধান্তকে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে ফাকুন্দো মেদিনার বহুমুখী দক্ষতা তাকে বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে। সেন্টার-ব্যাক ও লেফট-ব্যাক—দুই পজিশনেই সমান স্বাচ্ছন্দ্য তিনি। ফলে নিকোলাস ওতামেন্দি বা লিসান্দ্রো মার্তিনেজের বিকল্প হিসেবেও তাকে ব্যবহার করা সম্ভব। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সও স্কালোনির আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।