লিওনেল মেসি © সংগৃহীত
ফিফা বিশ্বকাপে নামার আগে ইন্টার মায়ামির হয়ে সবশেষ ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এতে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকাকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। যদিও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্রুতই মেসির পরিস্থিতির কথা জানায় মায়ামি কর্তৃপক্ষ। তাতে আসন্ন বিশ্বকাপে এই মহাতারকার খেলা নিয়ে আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
মেসির চোট নিয়ে মায়ামি কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘গত ২৪ মে ফিলাডেলফিয়া ইউনাইডেটের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন শারীরিক অসুস্থতার কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন আমাদের অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার একাধিক পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মেসির হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরেছে। পেশির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার জন্য সমস্যা হয়েছে। মেসির আবার মাঠে ফেরা নির্ভর করবে পরিস্থিতির উন্নতি এবং তার সুস্থতার ওপর।’
তবে আর্জেন্টাইন এই মহাতারকার মাঠে ফিরতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই জানায়নি ক্লাবটি। কয়েকদিন তাকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেসির চোট গুরুতর নয়। কয়েকদিন বিশ্রাম প্রয়োজন তার। জুনের শুরুতে আমেরিকায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যোগ দিতে ৩৮ বছরের ফুটবলারের সমস্যা হবে না বলেও দাবি করা হয়েছে।
গত রবিবার ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে মায়ামির সর্বশেষ ম্যাচে ৭৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। এরপর সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ম্যাচ চলাকালীন তাকে বাঁ-পায়ে কিছুটা অস্বস্তিতে ভুগতে দেখা যায়।
এর আগে, ৬৯তম মিনিটে আক্রমণে এগিয়ে গেলেও হঠাৎ থেমে গিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেছিলেন মেসি। পরে তাকে বদলি করে মাতেও সিলভেত্তিকে মাঠে নামান কোচিং স্টাফ।
উল্লেখ্য, আগামী ১১ জুন শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ। এর পাঁচদিন পর আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে নিজেদের অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ ‘জে’তে আর্জেন্টিনাকে অস্ট্রিয়া এবং জর্ডানের সঙ্গেও খেলতে হবে। তবে এখনো বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেননি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।