বিসিবি ও হাইকোর্ট © সংগৃহীত
তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটি বাতিলের দাবিতে করা রিটের শুনানি আগামী ২১ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত। বিসিবির সাবেক সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং তৎকালীন ১১ জন পরিচালকসহ মোট ১২ জন এই রিটটি দাখিল করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ভেঙে দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত আইনগতভাবে চ্যালেঞ্জযোগ্য।
রিটে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বিসিবির সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিন সদস্যের স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ওই নির্বাচন পরিচালিত হয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্বাহী পরিচালক এর একজন সদস্য ছিলেন। নির্বাচনে রিটকারীরা বিধিমতে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এরপর গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ৫ এপ্রিলের একটি তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিসিবির নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দেয় এবং সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালকে চেয়ারম্যান করে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করে।
রিটকারীদের অভিযোগ, ওই ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাদের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি, তদন্ত প্রতিবেদনের কপি দেওয়া হয়নি এবং শুনানির কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকেই তারা বিষয়টি জানতে পারেন।
আইনি নোটিশ পাঠিয়েও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে এনএসসির নির্বাহী পরিচালকের কাছে নোটিশ পাঠান রিটকারীরা। সেখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিটি ভেঙে দেওয়ার আদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব নথি সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন রিটকারীরা।
রিটে হাইকোর্টের কাছে কয়েকটি মূল দাবি উপস্থাপন করেছেন তারা । এর মধ্যে রয়েছে ৭ এপ্রিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করা, অ্যাডহক কমিটির কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা, এবং ভেঙে দেওয়ার আদেশসহ তদন্ত প্রতিবেদনের সত্যায়িত কপি সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া। পাশাপাশি চূড়ান্ত শুনানিতে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে পুনর্বহাল করার প্রার্থনাও জানিয়েছেন তারা।