বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ © সংগৃহীত
সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ব্যাট ও বলে দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই সেশনে সমান ৪টি করে উইকেট তুলে নিয়ে শুরু থেকেই পাকিস্তানকে চাপে রাখে স্বাগতিকরা। শেষ সেশনে বাকি দুই ব্যাটারকেও ফেরায় টাইগাররা, ফলে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানেই থামে পাকিস্তানের। আর ৪৬ রানের মূল্যবান লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১০ রান। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে দিনশেষে টাইগারদের লিড এখন ১৫৬ রান। এখান থেকেই তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন অপরাজিত ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত (১৩)। দিনের শুরুতে তার সঙ্গে জুটি গড়ার জন্য নামতে পারেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।
৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ তামিম। বাউন্ডারিতে রানের খাতা খুললেও সেটিই তার ইনিংসের একমাত্র স্কোরিং শট ছিল। ৭ বল মোকাবিলা করে ৪ রান করে আউট হন এই ওপেনার।
সেই ধাক্কা দারুণভাবেই সামাল দেন মুমিনুল হক ও মাহমুদুল জয়। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বেশ স্বাছন্দ্যে ছিলেন জয়। আত্মবিশ্বাসী এই ওপেনার ফিফটিও ছুঁয়ে নেন। ৬১ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। তবে ফিফটির পরপরই ৬৪ বলে ৫২ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন জয়।
শেষ বিকেলে খুররম শেহজাদের বলে আউট হওয়ার আগে ৩০ রান করেন মুমিনুল। ৬০টি বল মোকাবিলায় তিনটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে শান্তর সঙ্গে ১৯ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হন তিনি।
এর আগে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে প্রথম ইনিংসে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলেছিল পাকিস্তান।
দ্বিতীয় দিনে বাবর আজমের হাফ-সেঞ্চুরির সঙ্গে লোয়ার-অর্ডারে সাজিদ খানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ২৩২ রান তুলে অলআউট হয় পাকিস্তান। ১০ চারে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন বাবর। পঞ্চম উইকেটে সালমান আঘার সঙ্গে ৬৩ রানের জুটি গড়েন বাবার। সালমান করেন ২১ রান।
১৮৪ রানে অষ্টম উইকেট পতনের পরও পাকিস্তানকে ২ শ'র নিচে গুটিয়ে যাবার হাত থেকে রক্ষা করেন সাজিদ। খুররাম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাসের সাথে শেষ দুই উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়েন সাজিদ। ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৩৮ রান করেন সাজিদ।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। দুটি করে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ।