প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরেই চোটে ভুগছিলেন লিটন দাস। তবে শনিবার (১৭ অক্টোবর ) আনুষ্ঠানিকভাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তার চোট সম্পর্কে জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
টসের পর লিটনের চোটের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিসিবির ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান। তবে কেবল আজকের ম্যাচ, পুরো ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকেই এই উইকেটকিপার ব্যাটার ছিটকে গেছেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে লিটনের বদলি হিসেবে এই সিরিজে পারভেজ হোসেন ইমন নতুন করে ডাক পেয়েছেন। আগামী রবিবার রাতে আবুধাবির উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তিনি।
এর আগে লিটনের চোট নিয়ে বায়েজিদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ‘লিটন কুমার দাস গতকাল রাইট হিপ জয়েন্টে সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করেন। আমরা তার একটা এমআরআই করাই। রিপোর্টে তার রাইট হিপ জয়েন্টে একটু সমস্যা ধরা পড়েছে। এরপরেও চেষ্টা করেছে আজকে ফিটনেস টেস্টে (খেলতে) পারা যায় কিনা। তবে সে থাকতে পারছে না। আমরা যে বেঞ্চমার্ক চেয়েছি, সেটা সে হিট করতে পারেনি। ফলে এই সিরিজে সে খেলবে না।’
এদিকে কোয়াড ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে লিটনের কত দিন লাগবে, তা নির্ভর করে পেশির ক্ষতির মাত্রার ওপর। সাধারণত সামান্য টান লাগলে এক থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হওয়া সম্ভব। পেশির আংশিক ক্ষতি হলে ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর গুরুতর চোটের ক্ষেত্রে পুনরুদ্ধারে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে।
তবে লিটনের চোটের প্রকৃত মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না থাকায় তার মাঠে ফেরার নির্দিষ্ট সময় এখনই বলা যাচ্ছে না। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে বিশ্রামের পাশাপাশি ধাপে ধাপে পুনর্বাসন জরুরি। ব্যথা কমে গেলেও পেশির স্বাভাবিক শক্তি ও নড়াচড়া ফিরে আসার আগে খেলায় ফিরলে চোট আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই লিটনের প্রত্যাবর্তন নির্ভর করবে তার সুস্থতার অগ্রগতি ও চিকিৎসকদের মূল্যায়নের ওপর।
এদিকে, টানা তিন দিন ধরে জ্বরে ভোগায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজকের ম্যাচে খেলতে পারছেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে আগামী ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে।