নাহিদ রানার চোট নিয়ে মিলল নতুন তথ্য, তবে নেই স্বস্তির খবর। আপাতদৃষ্টিতে তার শরীরে এখন বড় কোনো চোট না থাকলেও বোলিং করতে গেলেই ব্যথা অনুভব করছেন এই গতিতারকা। পিঠের নিচের অংশ ও পেলভিক অঞ্চলের দুর্বলতা কাটিয়ে স্বাভাবিক বোলিংয়ে ফেরাই এখন তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরে যেতে পারেননি নাহিদ। জিম্বাবুয়ে সফরে পাওয়া সেই চোটের কারণে এশিয়ান গেমস ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টও মিস করেছেন। আসন্ন আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজেও খেলা হচ্ছে না তার। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি ম্যাচের আগে এই পেসারকে দলে পেতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
এ লক্ষ্যে গত ১১ অক্টোবর নাহিদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। সেসব পরীক্ষার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিঠের নিচের অংশ ও পেলভিক অঞ্চলে দুর্বলতা রয়েছে তার। ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুর্বলতার কারণে বোলিংয়ের সময় প্রয়োজনীয় শক্তি পাচ্ছেন না নাহিদ। ফলে রানআপ থেকে বল ছাড়ার সময় ব্যথা অনুভব করছেন তিনি।
ক্রিকবাজকে বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নাহিদের শরীরে পর্যাপ্ত শক্তির ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। সেই শক্তি ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে, যা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে নাহিদের খেলার সম্ভাবনা এখন বেশ অনিশ্চিত।
নাহিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগও নিয়েছে বিসিবি। তবে ভিসা জটিলতার কারণে আপাতত কাতারে যাওয়া হচ্ছে না তার। বিকল্প হিসেবে অস্ট্রেলিয়া কিংবা সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এদিকে, নাহিদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়ামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিসিবির ওই কর্মকর্তা জানান, প্রথমে তার শক্তি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে। এরপর ধীরে ধীরে কাজের চাপ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, যাতে নতুন করে কোনো ঝুঁকি তৈরি না হয়।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বোলিংয়ে ফিরলেই নাহিদ ব্যথা অনুভব করছেন। এর কারণ, তার শারীরিক দুর্বলতাগুলো এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত নির্ধারিত ব্যায়ামের মাধ্যমে দুর্বলতা দূর করে শক্তি ফিরিয়ে আনার ওপরই জোর দিচ্ছে বিসিবি।