আসিফ আকবার © টিডিসি ফটো
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে দ্রুত দেশের ক্রিকেটে ফেরাতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির পরিচালক ও বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ আকবর জানিয়েছেন, বিষয়টি এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হচ্ছে।
বুধবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘ইয়াং টাইগার্স’ অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সাকিবের মাঠে ফেরাকে ঘিরে যে আইনগত জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বিসিবি যৌথভাবে কাজ করছে।
আসিফ আকবর বলেন, “সাকিব বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। তার বিষয়টি বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিসিবির লিগ্যাল এইড টিম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কাজ করছে। আমরা আশাবাদী, খুব দ্রুতই ইতিবাচক সমাধান আসবে।”
তিনি আরও জানান, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই সাকিবকে আবার দেশের ক্রিকেটে দেখা যাবে। বোর্ড চায় বিষয়টি আইনগতভাবে সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো জটিলতা না থাকে।
কক্সবাজার স্টেডিয়াম নিয়ে বড় পরিকল্পনা
একই অনুষ্ঠানে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বিসিবি পরিচালক। তিনি জানান, স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্টেডিয়াম ঘিরে একটি এমিউজমেন্ট পার্ক এবং তারকা মানের হোটেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি গ্যালারি সম্প্রসারণ, দর্শকসুবিধা বৃদ্ধি, ড্রেসিং রুম ও মিডিয়া সুবিধা আধুনিকায়নসহ আরও কিছু উন্নয়নকাজ বাকি রয়েছে।
বর্তমানে সেখানে নিয়মিত ম্যাচ আয়োজন করা হলেও আন্তর্জাতিক বা বড় মাপের টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য যে পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো প্রয়োজন, তা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি বলে জানান তিনি। ধাপে ধাপে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হলে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ভবিষ্যতে বড় আয়োজনের ভেন্যু হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন আসিফ আকবর।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অপারেশন হেড কাজী হাবিবুল বাশার সুমন এবং জাতীয় দলের নির্বাচক মেহরাব হোসেন অপি।