দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে ফেরিতে যানবাহন আটকা © সংগৃহীত
তীব্র ঘন কুয়াশার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুটি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং শরীয়তপুর-চাঁদপুর-হরিণাঘাট রুটে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরিসহ সকল ধরনের নৌযান চলাচল স্থগিত করা হয়।
শরীয়তপুর-চাঁদপুর রুট: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) নরসিংহপুর ফেরিঘাটের সহ-ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন জানান, শনিবার রাত থেকে নদী অববাহিকায় কুয়াশা বাড়তে থাকে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুয়াশার তীব্রতা এতটাই বেড়ে যায় যে নৌপথের দিকনির্দেশক মার্কিং বাতিগুলো অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে মাঝনদীতে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে কোনো ফেরি মাঝনদীতে নোঙর করে রাখা হয়নি; সবগুলো ফেরি ঘাটে অবস্থান করছে। কুয়াশা কমে গেলে পুনরায় চলাচল শুরু হবে।
.jpg)
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুট: বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, রাত ১০টার পর থেকেই কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। কুয়াশা ঘন হয়ে চ্যানেলের বিকন বাতি ও মার্কিং পয়েন্টগুলো অদৃশ্য হয়ে যাওয়ায় রাত সাড়ে ১১টা থেকে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে দৌলতদিয়া প্রান্তে চারটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উভয় রুটের ঘাট এলাকাগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। শরীয়তপুর ও চাঁদপুরের ফেরিঘাটের দুইপাশে এবং দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া প্রান্তে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহন আটকে পড়ে আছে।
কনকনে শীতের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষায় থাকা যাত্রী ও চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কুয়াশার ঘনত্ব কমে এলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করা হবে বলে জানিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।