ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল ঠেকাতে মার্কিন সিনেটরদের বিল উত্থাপন

১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ AM , আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ AM
গ্রিনল্যান্ড

গ্রিনল্যান্ড © সংগৃহীত

ন্যাটো  ভুক্ত কোনো অঞ্চল, বিশেষ করে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টা রুখতে মার্কিন সিনেটররা একটি বিল উত্থাপন করেছেন। মঙ্গলবার উত্থাপিত দ্বিপক্ষীয় ‘ন্যাটো ইউনিটি প্রোটেকশন অ্যাক্ট’-এর লক্ষ্য হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র দপ্তরকে ন্যাটোর যেকোনো সদস্য রাষ্ট্রের 'ভূখণ্ড অবরোধ, দখল, সংযুক্ত বা অন্য কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার' কাজে সরকারি তহবিল ব্যবহারে বাধা দেওয়া। খবর আলজাজিরা। 

ডেমোক্র্যাট সেনাটর জিন শাহিন এবং রিপাবলিকান লিসা মারকাউস্কির আনা এই বিলটি এমন এক সময়ে এলো, যখন গ্রিনল্যান্ডকে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে ট্রাম্পের ক্রমাগত হুশিয়ারি দিয়ে আসছিল যা মিত্র দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

নিউ হ্যাম্পশায়ারের ডেমোক্র্যাট সেনাটর জিন শাহিন এক বিবৃতিতে বলেন, 'এই দ্বিপক্ষীয় আইনটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ এমন কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না যা ন্যাটো জোটকে ভেঙে দেয় এবং ন্যাটোর প্রতি আমাদের নিজেদের অঙ্গীকার লঙ্ঘন করে।'

তিনি আরও বলেন, 'এই বিলটি একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো আমেরিকার নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং কংগ্রেসে এটি দ্বিপক্ষীয় বিরোধিতার মুখে পড়েছে।'

আলাস্কার রিপাবলিকান সেনাটর লিসা মারকাউস্কি বলেন, 'আমেরিকা তার বিশাল সম্পদ মিত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে—এমন ধারণাটিই অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং কংগ্রেসের উচিত আইনের মাধ্যমে এটি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করা।'

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের হুমকিতে ইউরোপীয় মিত্ররা শঙ্কিত। তাদের আশঙ্কা, এর ফলে ন্যাটো জোটের অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। উল্লেখ্য, ন্যাটোর মূল নীতি হলো—কোনো এক সদস্যের ওপর হামলা মানে সবার ওপর হামলা।

ট্রাম্পের মতে, খনিজ ও জ্বালানি সমৃদ্ধ এই বিশাল আর্কটিক অঞ্চলটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, 'যেভাবেই হোক না কেন, আমরা গ্রিনল্যান্ড পেতে যাচ্ছি।'

এর জবাবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সরকার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডরিক নিলসেন বলেন, 'যদি আমাদের এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ডেনমার্কের মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে আমরা ডেনমার্ককেই বেছে নেব। আমরা ন্যাটোকে বেছে নিচ্ছি, আমরা ডেনমার্ক সাম্রাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বেছে নিচ্ছি।'

সংকট নিরসনে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বুধবার ওয়াশিংটনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করবেন। বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিপক্ষে।

দেশে অনুভূত ভূকম্পনটি ৫.১ মাত্রার, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৭ জন নির্বাচিত ও ১৫ জন মনোনীত সদস্য নিয়ে শিবিরের কেন্দ্রীয়…
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হান্নান মাসউদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা ও উদ্বেগ
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের নতুন নিয়ম কাদের জন্য প্রযোজ্য ও কী করতে…
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ইস্যুতে মুখ খুললেন অর্থমন্ত্রী
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬