‘মশাঙ্গীরনগর বিষশোবিদ্যালয়ে’ মশার উপদ্রবে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৭ PM , আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৯ PM
ব্যঙ্গ করে চিত্রটি এঁকেছেন এক শিক্ষার্থী

ব্যঙ্গ করে চিত্রটি এঁকেছেন এক শিক্ষার্থী © সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে সম্প্রতি মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। আবাসিক হল, ক্লাসরুম, লাইব্রেরি এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশার অতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে মশার উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। অনেক শিক্ষার্থী রুমে বসে পড়াশোনা করতে পারছেন না এবং রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারছেন না। আবাসিক হলগুলোতে এ সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম বরকত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী  নুরনবী ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর রুমে থাকা কঠিন হয়ে যায়। মশার কারণে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। তিনি আরো বলেন, মশারি, কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করেও পুরোপুরি স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না।

ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোকে ব্যঙ্গ করে আঁকা একটি চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল ও চারুকলার বিভাগের ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত বৈষ্ণব ছবিটি এঁকেছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোর সর্বত্র মশার উপস্থিতির চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মশাঙ্গীরনগর বিষশোবিদ্যালয়’।

মশার উপদ্রবের বিষয়ে মশা গবেষক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসের আশপাশে প্রায় ১৬ প্রজাতির মশা পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন কিউলেক্স কুইনকুই ফেসসিটাস মশার উপদ্রব বেশি। এই প্রজাতির মশার কামড়ে ‘ফাইলেরিয়াসিস’ নামে ভয়াবহ গোদ রোগের আশঙ্কা রয়েছে। তবে ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশার ঘনত্ব এসব এলাকায় কম। তবে আগামী ১৫ দিন বা এক মাস পর যদি বৃষ্টি না হয় তা হলে মশার ঘনত্ব ও উপদ্রব আরও বাড়বে।

উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, জানুয়ারির শেষের দিকে মশার ঘনত্ব অনেক বেড়ে যায়। কারণ শীতের পর এ সময় তাপমাত্রা হালকা বাড়তে শুরু করলে মশার ডিম পাড়ার হার বেড়ে যায়। পাশাপাশি মশার লার্ভাগুলোর বৃদ্ধিও অনেকটা দ্রুত হয়। জাহাঙ্গীরনগরেও সেটিই হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আবুল কাশেম বলেন, প্রথম ধাপ শেষে দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। দুজন কর্মী নিয়োগ দিয়ে নিয়মিত স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। হল কর্তৃপক্ষ (মশার উপদ্রবের বিষয়টি) প্রয়োজন অনুযায়ী মশার ওষুধ, কেরোসিন ও অকটেন সরবরাহ করে আমাদের জানালে আমরা ফগিং মেশিন দিয়ে স্প্রে করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে আসছি।

শিক্ষক সংকট কমাতে খণ্ডকালীন ‘শিক্ষক পুল’ গড়বে জাতীয় বিশ্ববি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি ভর্তির আবেদন শুরু আজ, করবেন যেভ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল-অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বিএএসের ফেলো হলেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
গ্যাস সংকটে হলের শিক্ষার্থীরা একবেলা না খেয়ে থাকছেন
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
টেস্ট ক্রিকেট, তুমি সুন্দর; বাংলাদেশ জিতলে তো আরও সুন্দর: ম…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬