এমন সমতাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা লাগবে, যা কোনো শিক্ষার্থীকে পিছিয়ে রাখবে না

০৯ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম © ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার এবং সামাজিক চাহিদা মেটাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা ও সহযোগিতা শক্তিশালীকরণ বিষয়ক গোলটেবিল সম্মেলন’ এ মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাসোসিয়েশন অফ কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজ (এসিইউ) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে অ্যাসোসিয়েশন অফ কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজের মহাসচিব অধ্যাপক কলিন রিওর্ডান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, এসিইউ-এর প্রতিনিধি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এই প্রতিবন্ধকতাগুলো মোকাবিলা করার জন্য আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে উচ্চশিক্ষাকে রূপদানকারী অন্যতম যুগান্তকারী উন্নয়ন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত অগ্রগতি। এআই অভূতপূর্ব সুযোগ তৈরি করে। আমাদের স্নাতকদের শুধু এআই-এর কার্যকর ব্যবহার শিখলেই হবে না, বরং একে প্রশ্ন করতে, মূল্যায়ন করতে এবং দায়িত্বের সঙ্গে পরিচালনা করতেও শিখতে হবে।

উপাচার্য যৌথ গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের জন্য এসিইউ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কমনওয়েলথ প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী, গবেষক এবং শিক্ষাকর্মীদের বৃহত্তর গতিশীলতাকে উৎসাহিত করা উচিত। 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা, যা শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ধারণাগুলোকে বাস্তব সমাধানে রূপান্তর করতে সক্ষম করবে। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং শিক্ষাদান, শিখন ও গবেষণায় উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল একীকরণের ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা আরও বাড়ানো উচিত। আমাদের অবশ্যই এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার অব্যাহত রাখতে হবে, যা কোনো শিক্ষার্থীকে পিছিয়ে রাখবে না। উচ্চশিক্ষা যাতে সামাজিক চাহিদার প্রতি সংবেদনশীল থাকে, তা নিশ্চিত করতে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেই নয়, বরং সরকার, শিল্পখাত, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের সঙ্গেও অংশীদারিত্ব জোরদার করতে হবে।

ফেনির অপহৃত ৪ তরুণকে টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে উদ্ধ…
  • ৩০ জুন ২০২৬
নকআউটে বড় চমক নরওয়ের, ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হতে একসঙ্গে ১০ …
  • ৩০ জুন ২০২৬
গলায় বাদাম আটকে প্রাণ গেল তিন বছরের মানহার
  • ৩০ জুন ২০২৬
শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যা…
  • ৩০ জুন ২০২৬
বছরে গড়ে ৪০ দিন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন বিশ্বের ৬৮ শতাং…
  • ৩০ জুন ২০২৬
বিএনপি নেতাকে অতিথি না করায় স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বি…
  • ৩০ জুন ২০২৬